বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগর এড়িয়ে চলার জন্য পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রান্সপোর্টেশন ডিপার্টমেন্ট। ইরানে হামলার পরই তাদের থেকে এ মন্তব্য এলো।
এক বিবৃতিতে ট্রান্সপোর্টেশন ডিপার্টমেন্টের মেরিটাইম প্রশাসন বলে, হরমুজ প্রণালী, উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কার্যক্রম চলছে। এর জন্য বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে এ অঞ্চল থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বিবৃতিতে মার্কিন পতাকাবাহী, মার্কিন মালিকানাধীন বা মার্কিন ক্রু দ্বারা পরিচালিত জাহাজগুলোকে কোনও মার্কিন সামরিক জাহাজ থেকে ৩০ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৫৬ কিলোমিটার) দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে।
অন্যদিকে, কাতারের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আগেই সামুদ্রিক চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, নতুন করে ইসরায়েলমুখী ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে তেহরান।
এদিকে, ইরান ও তার পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে অবস্থান করা কানাডার নাগরিকদের নিরাপদে থাকার কথা জানিয়েছে দেশটির সরকার।
শনিবার সকালে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এ হামলার বিষয়ে আগাম কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি ফ্রান্সকে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এ দাবি করেছেন। এমনকি, ইরানে হামলায় তাদের কোনও যোগসূত্র নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ইরানে হামলায় ইসরায়েলের ২০০ এর মতো ফাইটার জেট ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এতো যুদ্ধবিমান ব্যবহারকে ‘লারজেস্ট মিলিটারি ফ্লাইওভার ইন দ্য হিস্ট্রি’ বলে আখ্যা দিয়েছে তারা। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলছে, ৫০০ লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে কয়েকশো গোলাবারুদ নিক্ষেপ করেছে
ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহের এক প্রতিবেদনে দেশটির রেড ক্রিসেন্টের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ২৪টি প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। এতে ২০১ জন নিহত ও ৭৪৭ জন আহত হয়েছে।