Image description
 

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি তিনি এসব দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শুক্রবার জারি করা ওই আদেশে নির্দিষ্ট কোনো শুল্কহার উল্লেখ করা হয়নি। তবে উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশ শুল্কের কথা বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, যে কোনো দেশ যদি ‘প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইরান থেকে পণ্য বা সেবা ক্রয়, আমদানি বা গ্রহণ করে’, তবে সেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত পণ্যের ওপর এই শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

 

এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প পুনরায় বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।

 
 

এর আগেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যে কোনো দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তবে সে সময় শুল্ক কার্যকর করার কোনো বাস্তব কাঠামো জানানো হয়নি।

 

হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নতুন নির্বাহী আদেশটি ইরানকে ঘিরে চলমান ‘জাতীয় জরুরি অবস্থা’ পুনর্ব্যক্ত করে। তবে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে প্রেসিডেন্ট আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা, সন্ত্রাসবাদে সহায়তা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য দেশটিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে।

এদিকে একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইরান-উৎপত্তি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের সঙ্গে লেনদেনের অভিযোগে ১৫টি প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে। ইরান এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দেশটি আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। তবে তেহরান বারবার দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।