২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ ইসরাইলি হামলায় আরো তিন সাংবাদিক নিহত হওয়ায়, গাজায় ইসরাইলি গণহত্যা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নিহত গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা বেড়ে ২৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
সহকর্মী ও চিকিৎসা কর্মকর্তাদের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, আলোকচিত্রী আনাস গুনাইম, আব্দুল রাউফ শাথ এবং মোহাম্মদ কেশতা মধ্য গাজায় ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ ও নথিবদ্ধ করছিলেন, এমন সময় ইসরাইলি হামলায় তারা প্রাণ হারান। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বুধবার ওই হামলায় অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুই শিশু ও তিন সাংবাদিক রয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ জানান, নিহত আলোকচিত্রীদের বহনকারী গাড়িটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তারা গাজায় মিশরের ত্রাণ কার্যক্রম তদারকিকারী ‘মিশরীয় কমিটি ফর গাজা রিলিফ’-এর হয়ে কাজ করছিলেন।
আল জাজিরা জানায়, হামলাটি গাজার তথাকথিত নেটজারিম করিডোরের কাছে সংঘটিত হয়। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রাস্তার পাশে পুড়ে যাওয়া, বোমা বিধ্বস্ত গাড়িটি দেখা গেছে, যেখান থেকে ধোঁয়া উঠছিল।
এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর রেডিও একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে দাবি করেছে, গাড়িটির যাত্রীরা নাকি সামরিক বাহিনীর ওপর গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ড্রোন ব্যবহার করছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সরাসরি লঙ্ঘন।