Image description

ইউরোপীয় কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস-এর একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (আমেরিকা আগে) নীতি চীনকে আবারও শক্তিশালী হতে সাহায্য করছে এবং একটি ‘প্রকৃত বহুমুখী বিশ্বের’ সূচনা করছে।

 

যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং ব্রাজিলসহ ২১টি দেশের ২৫,৯৪৯ জনের ওপর পরিচালিত এই জরিপ শেষে থিংক ট্যাঙ্কটি জানায়, ‘ট্রাম্পের ক্ষমতার প্রত্যাবর্তনের এক বছর পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অনেক মানুষই এখন মনে করেন যে চীন আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।’

 

অধিকাংশ উত্তরদাতার মতে, নবায়নযোগ্য প্রযুক্তি এবং বৈদ্যুতিক গাড়িসহ প্রধান শিল্পখাতগুলোতে চীন বর্তমানে নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং একই সঙ্গে তাদের ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবও বাড়ছে।

 

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের ধারণা, আগামী দশকে চীনের বৈশ্বিক প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে। দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮৩ শতাংশ, ব্রাজিলে ৭২ শতাংশ, রাশিয়ায় ৫৭ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪ শতাংশ এবং ব্রিটেনে ৫০ শতাংশ মানুষ এই মত পোষণ করেছেন।

 

থিংক ট্যাঙ্কটি আরও জানিয়েছে, ‘শুধুমাত্র ইউক্রেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার অধিকাংশ মানুষ চীনকে প্রতিদ্বন্দ্বী বা শত্রু হিসেবে দেখে। গত বছরের তুলনায় দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ব্রাজিল—উভয় দেশেই এখন আরও বেশি মানুষ চীনকে মিত্র হিসেবে দেখছে।’

 

‘তবে এই পরিবর্তনের হার ভারতে সবচেয়ে বেশি। নয়াদিল্লি এবং বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে তিক্ত হওয়া সত্ত্বেও ভারতের প্রায় অর্ধেক মানুষ চীনকে এখন হয় মিত্র অথবা একটি ‘অপরিহার্য অংশীদার’ হিসেবে বিবেচনা করছেন।’ সূত্র: এসসিএমপি।