বিদেশে সামরিক হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে ‘নিজস্ব নৈতিকতা’তাকে পরিচালিত করে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলা নিয়ে সমালোচনার মুখে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্থানীয় সময় বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে, আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ওপর কোনো সীমা আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, ‘হ্যাঁ, একটি বিষয় আছে–আমার নিজের নৈতিকতা। আমার নিজের চিন্তাধারা। এটিই একমাত্র জিনিস, যা আমাকে থামাতে পারে।’
তিনি আরও বলেন,
আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই। আমি মানুষের ক্ষতি করতে চাই না।
ক্ষমতার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরে ভেনেজুয়েলা, ইয়েমেন, সিরিয়া, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, ইরাক ও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্পের এই মন্তব্য এলো।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়েও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
এর আগে টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলেন, তবে বিষয়টি ‘আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞার ওপর নির্ভর করে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তার ভাষ্য, ‘মাদুরোকে যথাযথভাবে আটক করার পর পরিস্থিতি বদলেছে। নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার অভিযান ছিল অসাধারণ দক্ষতা ও জটিলতার দৃষ্টান্ত। আমি সেটিকে সমর্থন করি। তবে কংগ্রেসের নির্দিষ্ট অনুমোদন ছাড়া ভেনেজুয়েলা বা গ্রিনল্যান্ডে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠানো বা দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির পক্ষে আমি নই।’
সূত্র: দ্য হিল