Image description

ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক সংঘাতে জড়ানোর আগে কূটনীতিকে সুযোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি কর্মকর্তারা। তাদের আশঙ্কা, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে পড়তে পারে সৌদি আরবের তেল ও জ্বালানি স্থাপনাগুলো। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের তেহরান সফরের পর ওয়াশিংটনকে এ বার্তা দিয়েছে রিয়াদ। ওই সফরে তার সঙ্গে ছিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতার পথ তৈরি এবং নতুন করে সংঘাত এড়াতে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ ছিল এ সফর।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হলে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোয় পাল্টা হামলা চালাতে পারে তেহরান—এমন আশঙ্কা করছে রিয়াদ।

এদিকে ইরান জানিয়েছে, আলোচনা পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাঠানো একটি বার্তা তারা পেয়েছে।

তেহরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ওই বার্তার জবাব এখনো দেয়নি তারা। তবে ইরান আবারও জানিয়েছে, আলোচনায় এগোনোর আগে ওয়াশিংটনকে ইরানের পক্ষ থেকে আগে নির্ধারণ করা সাতটি শর্ত মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকার মধ্যেই এসব ঘটনা ঘটছে।

সৌদি আরবের এ আহ্বানের মধ্য দিয়ে কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি রিয়াদের আগ্রহের প্রতিফলন ঘটেছে। নতুন করে সংঘাতের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক পরিণতি এড়াতে চাইছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।

সূত্র : মিডলইস্ট মনিটর