ইরানের ওপর ইসরায়েলের উসকানিতে নতুন করে সামরিক হামলা চালানো হলে বিশ্ববাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার মতে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলোর পাশাপাশি ভোক্তারাও বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারেন।
বুধবার এক বার্তায় আরাঘচি বলেন, ইসরায়েলের উসকানিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যেকোনো ধরনের সামরিক দুঃসাহসিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাজারে ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে। গ্যাস সরবরাহকারী ও ভোক্তা—উভয় পক্ষের জন্যই এটি বড় উদ্বেগের বিষয়।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে কথিত ‘অস্তিত্বগত হুমকি’ দূর করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। বুধবার তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর নতুন সরকার গঠনের চেষ্টা করছেন নেতানিয়াহু।
গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনার কথা সামনে এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এ আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে রাশিয়ার মস্কোয় অনুষ্ঠিত গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরামের (জিইসিএফ) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন আরাগচি। সেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল পারস্য উপসাগরে নতুন করে সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম এবং পরিবহন ব্যয় বাড়তে পারে। আরাগচির সতর্কবার্তায় সেই ঝুঁকির কথাই উঠে এসেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা