যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) ভার্চুয়ালি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দিয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসন টানা দ্বিতীয় বছরের মতো আব্বাস ও তার প্রতিনিধিদলকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের অনুমতি দেয়নি। ফলে ৯০-এর বেশি বয়সী আব্বাসকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে ভিডিওর মাধ্যমে তার বক্তব্য দিতে হয়।
বক্তব্যে মাহমুদ আব্বাস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রতি ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনার এবং দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান কার্যকর রাখার আহ্বান জানান।
রেকর্ড করা বক্তব্যে আব্বাস প্রশ্ন করেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণকে সুরক্ষা দিতে, তাদের নিজ ভূমিতে বসবাস অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করতে, ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসান ঘটাতে এবং আন্তর্জাতিক বৈধতার ভিত্তিতে দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আর কীসের অপেক্ষা করছে?’
আব্বাস বলেন, গাজায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সময়গুলোর একটি পার করছে।
তিনি বলেন, ‘গাজা উপত্যকায় আমাদের জনগণ ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর হাতে হত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ, অনাহার, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার চেষ্টা এবং গণহত্যামূলক যুদ্ধের শিকার হচ্ছে। এর ফলে নজিরবিহীন মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।’
মাহমুদ আব্বাস এ দিন ট্রাম্প প্রশাসনের দেয়া প্রবেশ ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে বেআইনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বলে প্রত্যাখ্যান করেন।
আব্বাস বিশ্বনেতাদের বলেন, টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলকে নিউইয়র্কে পৌঁছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সরাসরি অংশ নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রবেশ ভিসা দেয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমরা এসব বেআইনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করছি। পাশাপাশি, যেসব অভিযোগ ও কারণ দেখিয়ে এসব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, সেগুলোও আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’