Image description

আকস্মিক বন্যায় বিপর্যয় নেমেছে নেপালে। বুধবার সকালে তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় হঠাৎ বন্যার পানি ও কাদামাটি নেমে এসে নুয়াকোট, ধাদিং ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা দীপিকা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাড়ির উঠানে বাসনপত্র পরিষ্কার করছিলেন। হঠাৎ বন্যার পানি ও কাদার স্রোত নেমে আসতে দেখে তিনি পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করেন এবং সবাইকে নিয়ে বাড়ির ছাদে আশ্রয় নেন। এতে প্রাণে বাঁচলেও তাদের ঘরের নিচতলা সম্পূর্ণ কাদায় ঢেকে যায়। ঘরের কোনো আসবাবপত্র বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এমনকি পান করার জন্য রাখা পানির কলসটিও কয়েক ফুট কাদার নিচে চাপা পড়ে যায়। এমনকি পান করার মতো এক গ্লাস পানিও অবশিষ্ট নেই।

 

ঘটনার সময় একটি নির্মাণাধীন বাড়ির পাশে শৌচাগারের গর্ত খুঁড়ছিলেন ২৪ বছর বয়সী শ্রমিক বিবেক কুমাল। হঠাৎ সহকর্মীরা তাকে দ্রুত সরে যেতে বলেন। গর্ত থেকে বের হয়ে দৌড়ানোর সময় পানির বিশাল ঢেউ তাঁকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পরে একটি আমগাছে আটকে গিয়ে তিনি সৌভাগ্য প্রাণে বেঁচে যান। পানির স্রোত ও পাথরের আঘাতে তার ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে।

চীনের সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, মানুষ জীবন বাঁচাতে দৌড়াচ্ছেন এবং মুহূর্তের মধ্যে পানি, কাদা ও পাথরের স্রোতে বাড়িঘর ও যানবাহন ভেসে যাচ্ছেন।

১১ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রিহানা লামিছানে বন্যার সময় নদী পার হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে স্রোতে পড়ে যায়।। তার বুক ও পায়ে আঘাত লাগে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেয়েকে নিরাপদে ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তার মা।

 

সূত্র: এনডিটিভি