আখতার মার্চেন্ট আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের অপরাধ চক্র ডি কম্পানির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। মুম্বাই ও এর আশপাশ এবং গুজরাট মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অপহরণ, সশস্ত্র ডাকাতি, অপরাধমূলক হুমকি ও জালিয়াতিসহ অন্তত আটটি গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।
অনর্গল ইংরেজি বলতে পারার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ভিয়েতনামে তিনি ইংরেজি শিক্ষকের ছদ্মবেশ নেন। তারে বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা আছে। ভিয়েতনামে শিক্ষকের পরিচিতি এবং সাধারণ জীবনযাপনের কারণে তিনি সন্দেহের ঊর্ধ্বে ছিলেন।
গত সোমবার দিল্লির বিমানবন্দর থেকে মুম্বাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। ২০২৩ সালে মুম্বাইয়ের শহরতলি মীরা ভাইন্দরের একটি বেকারিতে গুলির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে আখতার মার্চেন্ট মুম্বাই ও এর আশেপাশে ডি-কম্পানির চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এর আগে ২০২২ সালে মহারাষ্ট্রের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু জামিন পাওয়ার পর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
২০২৩ সালে চাঁদা না পেয়ের মীরা-ভাইন্দরের কাশীমিরা এলাকার 'ইন্টারন্যাশনাল বেকারি'তে গুলি চালিয়েছিলেন আখতার। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় বিলাস শিন্ট্রে জানান, মার্চেন্ট স্থানীয়ভাবে 'গুটখা কিং' নামে পরিচিত ইসমাইল প্যাটেল ওরফে বাবুর কাছে লাভের একটি অংশ দাবি করেছিলেন। চাঁদাবাজির ফোনকলগুলোর কোনো উত্তর না পেয়ে মার্চেন্ট এবং তার সহযোগীরা প্যাটেলের চালানো বেকারিতে চড়াও হন এবং গুলি চালান। দাবি না মানলে আরও হামলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশ জানায়।
গুটখা ব্যবসার পেছনের পুরো চক্র, চাঁদাবাজির সংযোগ এবং গুলির ঘটনার পেছনের আসল ষড়যন্ত্র উদঘাটন করতে পুলিশ আখতার মার্চেন্টকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।