প্রতিদিনের চেনা চ্যাট, ছবি, ভিডিও আর জরুরি কথোপকথন— সবকিছুই জমা থাকে হোয়াটসঅ্যাপে। কিন্তু একদিন হঠাৎ লগইন করতে গিয়ে যদি দেখেন অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ, তখন বিপাকে পড়তে হবে মুহূর্তেই। শুধু ব্যবসায়িক নয়, সাধারণ ব্যবহারকারীরাও হোয়াটসঅ্যাপের নীতিমালা ভাঙলে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন।
অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে তাই জানতে হবে কোন কাজগুলো হোয়াটসঅ্যাপের চোখে সন্দেহজনক। বিশেষ করে অল্প সময়ে অনেক মানুষকে একই বার্তা পাঠানো, অপরিচিতদের বারবার মেসেজ করা কিংবা অননুমোদিত অ্যাপ ব্যবহার করলে ব্যানের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এমনকিহোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে।
হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, যে ৭ নিষিদ্ধ কারণে ব্যান হতে পারে অ্যাকাউন্ট —
১. সন্দেহজনক কার্যক্রম
অস্বাভাবিক ব্যবহারের ধরন বা বেশি অভিযোগ পেলে অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।
২. অননুমোদিত পরিবর্তিত অ্যাপ ব্যবহার
অনুমোদনহীন পরিবর্তিত সংস্করণের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
৩. একসঙ্গে অনেককে একই বার্তা পাঠানো
স্বল্প সময়ে বহু নম্বরে একই বার্তা পাঠালে সেটিকে স্প্যাম হিসেবে ধরা হতে পারে।
৪. অপরিচিত নম্বরে অতিরিক্ত বার্তা
যাদের কাছে আপনার নম্বর পরিচিত নয়, তাদের বারবার বার্তা পাঠালে অভিযোগ বা ব্লকের ঝুঁকি বাড়ে।
৫. অনুমতি ছাড়া গ্রুপে যুক্ত করা
অপরিচিত ব্যক্তিদের বারবার কোনো গ্রুপে যুক্ত করলে সমস্যা হতে পারে।
৬. স্বয়ংক্রিয় বার্তা বা বট ব্যবহার
তৃতীয় পক্ষের তৈরি স্বয়ংক্রিয় বার্তা ব্যবস্থা বা সফ্টওয়্যার দিয়ে তৃতীয় পক্ষের তৈরি স্বয়ংক্রিয় বার্তা ব্যবস্থা বা সফ্টওয়্যার দিয়ে বিপুল পরিমাণে বার্তা পাঠালে হোয়াটসঅ্যাপ সেটিকে স্প্যাম হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।
৭. নতুন নম্বরে হঠাৎ অতিরিক্ত সক্রিয়তা
নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেই অনেক মানুষকে বার্তা পাঠানো, একাধিক গ্রুপ তৈরি করা বা দ্রুত প্রচুর বার্তা পাঠালে সেটি সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তাই অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে সবচেয়ে ভালো হলো— শুধু হোয়াটসঅ্যাপের অনুমোদিত অ্যাপ ব্যবহার করা, অপরিচিত ব্যক্তিকে অতিরিক্ত বার্তা না পাঠানো এবং একসঙ্গে অনেক নম্বরে একই বার্তা পাঠানো থেকে বিরত থাকা। নিয়ম মেনে ব্যবহার করলেই প্রিয় কথোপকথন হারানোর দুশ্চিন্তাও থাকবে কম।