Image description

অসুস্থতা ও নিখোঁজ থাকার খবরের মাঝেই প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি। রোববার (৯ আগস্ট) দুই নেতার এই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকের খবর নিশ্চিত করেছে বিভিন্ন ইরানি গণমাধ্যম।

বৈঠকে সামরিক উন্নয়ন, আর্থিক সম্পদ সংগ্রহ, সরকারি ব্যয় হ্রাস, জ্বালানি খাত পরিচালনা এবং বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।

গত মার্চে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মুজতবা খামেনির উপস্থিতি মূলত রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত লিখিত বার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১৪ এবং দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, খামেনির শারীরিক অবস্থা চরম সংকটজনক এবং তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এমনকি সৌদিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-হাদাস দাবি করেছিল, তিনি ইরানে নেই।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, খামেনি ‘৯০ শতাংশ শেষ হয়ে গেছেন’। এসব খবরে তাঁর শারীরিক অবস্থা ও সক্ষমতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়।

তবে এসব গুঞ্জন ও মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে ইরানের আধা-সরকারি মেহের নিউজ এজেন্সি ‘তারিখবিহীন’ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে মুজতবা খামেনিকে সুস্থ-স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যাচ্ছে।

ইরানের বাসিজ সংস্থার ডেপুটি কাসেম কোরেশি জানান, খুব শিগগিরই মুজতবা খামেনির সাধারণ জনগণের সঙ্গে রাস্তায় সাক্ষাৎ এবং সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকের ভিডিও প্রকাশ করা হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন মুজতবা খামেনি। ইরানের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছিল, ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই হামলায় মুজতবা খামেনি মুখের অংশসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস ও আল-জাজিরা।