Image description

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের পর পরিস্থিতি ও বাস্তবতা যে বদলে গেছে, তা যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই মেনে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। উজবেকিস্তানের পার্লামেন্ট স্পিকারের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

গালিবাফ বলেন, ‘অতীতের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং যুদ্ধ-পরবর্তী নানা ঘটনাপ্রবাহের কারণে মার্কিনিরা বিদ্যমান বাস্তবতা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এমন একটি পরিবেশে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত করা সম্ভব এবং আমরা আশা করি যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথও সুগম হবে।’

আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে গালিবাফ বলেন, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও ওমানের যৌথ ব্যবস্থাপনা এবং এই অঞ্চলে মার্কিন অপতৎপরতা হ্রাস পাওয়ার ফলে ট্রানজিট সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আরও ভালো সুযোগ তৈরি হবে।

এদিকে হরমুজ প্রণালিকে ‘বিশ্ব অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ধমনী’ মন্তব্য করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, এই প্রণালি দিয়ে সব দেশের জাহাজের নিরাপদ চলাচল পুনরুদ্ধার করা একটি বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয়।

দুই বিশ্বনেতা উল্লেখ করেন, ওমান তাদের সার্বভৌম জলসীমা নৌ চলাচলের জন্য নিরাপদ রাখতে যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে সমর্থন করতে যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স বহুজাতিক সামরিক মিশন জোরদার করতেও প্রস্তুত রয়েছে।