Image description

ইসরায়েলের পারমাণবিক সক্ষমতা জানার আহ্বান জানিয়েছেন একদল ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য। গত সোমবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন সরকারের দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে বিষয়টি জানার দাবি তোলেন তারা।

চিঠিতে আইনপ্রণেতারা উল্লেখ করেছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইসরায়েলের স্বচ্ছতা এখন সময়ের দাবি।

ওয়াশিংটনভিত্তিক ‘নিউক্লিয়ার থ্রেট ইনিশিয়েটিভ’-এর তথ্যমতে, ১৯৬০-এর দশক থেকেই ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে দেশটি কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে এ কথা স্বীকার করেনি। এ বিষয়ে সব সময় ‘অস্পষ্টতা’ বজায় রাখার নীতি মেনে চলছে ইসরায়েল।

হোয়াইট হাউসও কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচি বা অস্ত্র নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে এবার ৩০ আইনপ্রণেতার সই করা এই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পারমাণবিক ভারসাম্য এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি সম্পর্কে পূর্ণ তথ্য জানার সাংবিধানিক অধিকার কংগ্রেসের রয়েছে, কিন্তু আমরা সেই তথ্য পাইনি। কোনো এক পক্ষের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে সরকারি অস্পষ্টতা থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক বিস্তার রোধ নীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। ইরান, সৌদি আরবসহ পুরো অঞ্চলের ওপর এর প্রভাব পড়বে। ইসরায়েলের কাছে কতগুলো পারমাণবিক ওয়ারহেড ও লঞ্চার আছে, তা স্পষ্ট জানতে চেয়েছেন আইনপ্রণেতারা। বিশেষ করে দেশটির দিমোনা শহরে নেগেভ পারমাণবিক গবেষণাকেন্দ্র নিয়ে তারা বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন। এ ছাড়া ইসরায়েল বর্তমানে কী পরিমাণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে এবং ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা, সে বিষয়েও প্রশাসনকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। খবর আলজাজিরার।