Image description

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানে এবার মুখ খুলেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তিনি বলেন, ইরান সরকারের কোনো ‘অপরাধ বা ভুলের’ জন্য দেশটির সাধারণ মানুষকে ‘মূল্য’ দিতে বাধ্য করা উচিত নয়।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী এক বিবৃতিতে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলার নিন্দাও জানান। তিনি বলেন, ইরান সরকারের কর্মকাণ্ড এবং দেশটির সাধারণ জনগণের ভাগ্যকে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে দেখা জরুরি।

এর অগে, আল্টিমেটামের সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মর্কিন প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানকে কড়া হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া যুদ্ধবিরতির সব শর্ত মেনে না নেয়, তাহলে রাতের মধ্যে গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আর বলেছেন, আমি চাই না এমনটা হোক। তবে সম্ভবত এটি হতে চলেছে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের সঙ্গে চুক্তির সময়সীমা দুই সপ্তাহ পেছাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ‘হরমুজ প্রণালি’ উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য ইরানকে অনুরোধ করেছেন তিনি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, এ অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা যুদ্ধরত সব পক্ষকে আগামী দুই সপ্তাহ সবখানে যুদ্ধবিরতি পালনের অনুরোধ করছি। এতে করে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধের একটি চূড়ান্ত সমাপ্তি টানা সম্ভব হতে পারে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এমন পোস্টের পর হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, শাহবাজ শরিফের দেওয়া প্রস্তাবটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজরে এসেছে এবং এ বিষয়ে দ্রুতই একটি আনুষ্ঠানিক জবাব দেওয়া হবে।

ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমে আল জাজিরাকে জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের দেওয়া প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে পর্যালোচনা করছে তেহরান।