ইরান যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের দাম এক শতাংশের বেশি বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এ যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বুধবার (২৫ মার্চ) এ সংবাদ প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার স্বর্ণের দাম এক শতাংশের বেশি বেড়েছে। তেলের দাম কমার ফলে মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ কমেছে এবং সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সোমবার চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছানোর পর, আজ সকালে স্বর্ণের দাম ১.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স চার হাজার ৫৪৭.৫৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া রুপার দাম ২.২ শতাংশ বেড়ে ৭২.৮৩ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৯৪৮.১০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।
জেনার মেটালসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিনিয়র মেটালস স্ট্র্যাটেজিস্ট পিটার গ্রান্ট বলেন, ‘সোনার দাম বাড়ছে। ইরানের সাথে সংঘাত কমে আসার আশাবাদও এর পেছনে কাজ করছে, যা তেলের দাম কমাতে সাহায্য করেছে।’
তিনি বলেন, এই বছরের কোনো এক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে ভাবা শুরু হয়েছে। এ কারণে মুদ্রাস্ফীতি কমবে। যদি তেমনটা হয়, তবে সোনার দাম আবার পাঁচ হাজার ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।
যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠিয়েছে, এমন খবর প্রকাশের পর তেলের দাম পড়ে গেছে। পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে একটি প্রস্তাব পৌঁছে দিয়েছে এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনার স্থান হিসেবে পাকিস্তান বা তুরস্ককে বেছে নেওয়া হতে পারে। রয়টার্সকে এসব বিষয় জানিয়েছেন ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।