Image description

ইসরায়েলি হামলায় গত সোমবার ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার পর তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না।

প্রবীণ এ রাজনীতিককে অনেক বিশ্লেষক ইরানের অন্যতম প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে গণ্য করতেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গন এবং নিজ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে তিনি ছিলেন একজন দক্ষ মধ্যস্থতাকারী।

ইরানের আইন অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ দেবেন। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন চলছে যে, প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সাঈদ জালিলি এ পদে স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন।বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধিদের মধ্য থেকেই কাউকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের এ পদের জন্য বেছে নেওয়া হয়। লারিজানি নিহত হওয়ার পর জালিলিই এখন সবচেয়ে শক্তিশালী বিকল্প।

জালিলি আগেও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ইরানের প্রধান পরমাণু আলোচনাকারী ছিলেন। বর্তমানে দেশটির ‘এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিল’-এর (উচ্চপর্যায়ের নীতি নির্ধারণী পর্ষদ) সদস্য তিনি।

ইয়েল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক, ইতিহাসবিদ ও ইরান–বিষয়ক বিশ্লেষক আরশ আজিজি বলেন, ‘জালিলি একজন কট্টরপন্থী নেতা। তিনি ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার সবচেয়ে কট্টর পশ্চিমাবিরোধী অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’

তথ্যসূত্র: সিএনএন