Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে লিফট সচল ও নতুন লিফটের প্রয়োজন হলে তার ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই করবে বলে জানিয়েছেন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. আল-আমিন। একই সঙ্গে ডাকসু ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের লিফটের ব্যবস্থা করেছে এমন প্রচারণাকে ‘মিথ্যাচার’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান অধ্যাপক ড. আল-আমিন। পোস্টে তিনি জানান, গত ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ভারপ্রাপ্ত ডিন হিসেবে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। অনুষদের অভ্যন্তরীণ রাস্তা, লিফট ও ই-লাইব্রেরির দুর্ভোগের বিষয়টি শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে জানেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অধ্যাপক ড. আল-আমিন বলেন, ৩ তারিখ বৃহস্পতিবার থাকায়, শুক্রবার ছুটির দিন থাকাতে ভোর ছয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত আমি নিজে উপস্থিত থেকে রাস্তার প্রয়োজনীয় মেরামত করাই।

লিফটের বিষয়ে তিনি বলেন, ৬ তারিখ রবিবার সকালে আমি লিফটের বিষয়ে কারিগরি কমিটির সাথে কথা বলে ১৫ দিনের মধ্যে লিফট সচলের ব্যবস্থা করি। আর যদি নতুন লিফট লাগে সেটারও ব্যবস্থা করা আছে। ৩ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষদে তিনি কী কী কাজ করেছেন, তা ফ্যাকাল্টির একটি অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করেছেন।

ডাকসুর ক্যারিয়ারবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম তাকে ফোন করে লিফট লাগিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. আল-আমিন বলেন, আমি তাকে জানিয়েছি এটার কোন প্রয়োজন নাই, আমি নিজে ব্যবস্থা করেছি।

এরপর ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম তাকে ফোন করে দেখা করতে চান বলে জানান অধ্যাপক ড. আল-আমিন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ১১টায় তার অফিসে দেখা করার কথা থাকলেও বেলা ১২টার কিছুক্ষণ আগে সাদিক কায়েম ছাড়া ডাকসুর অন্য সদস্যরা তার অনুমতি ছাড়াই অফিসে প্রবেশ করেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি তখন তাদের উদ্দেশ্যে বলি আপনাদের এগারোটায় আসার কথা, আর সাদিক কায়েম কোথায়? ফরহাদ আমাকে জানায়, সাদিক কায়েমের মা অসুস্থ তাই তিনি আসতে পারেনি।

ডাকসু সদস্যদের সঙ্গে লিফটের বিষয়ে তার কথোপকথন তুলে ধরে তিনি বলেন, তখন সবার কাছে আমি একই কথা বলি আপনাদের কনসার্নের জন্য ধন্যবাদ, তবে লিফটের ব্যবস্থা আমি করছি, আপনাদের কোন সহায়তার দরকার নেই। বিনয়ের সাথে খুব সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে, তাদেরকে বিদায় করেছি।

এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডাকসু ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের লিফটের ব্যবস্থা করেছে এমন প্রচারণা দেখতে পাচ্ছেন বলে দাবি করেন অধ্যাপক ড. আল-আমিন। এ ধরনের প্রচারণার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটা তো কোন রাজনৈতিক আদর্শ হতে পারে না, কোন কিছুর সমাধান না করে, পাবলিসিটির নামে মিথ্যাচার করা।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের উন্নয়নের কাজের জন্য প্রশাসন সব ব্যবস্থা নিবে, এখানে কারো কোনো সহায়তার দরকার নেই।