Image description

ঢালিউডের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি। তবে রঙিন তারকাজীবনের আড়ালে রয়েছে সংগ্রামময় এক শৈশবের গল্প। ছোটবেলা ও কৈশোরের বড় একটি সময় কেটেছে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায়, নানাবাড়িতে। তার বাবা মনিরুল ইসলামের বাড়ি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার সালাবাদ ইউনিয়নের বাকা গ্রামে।

তিনি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ভগীরথপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সেখানেই থাকাকালে ভান্ডারিয়া উপজেলার সিংহখালী গ্রামের সালমা সুলতানাকে বিয়ে করেন তিনি।

জীবনের কঠিন বাস্তবতা খুব অল্প বয়সেই স্পর্শ করে পরীমনিকে। মাত্র তিন বছর বয়সেই মা-বাবা দুজনকেই হারান এই অভিনেত্রী। এরপর নানাবাড়িতেই বড় হয়েছেন তিনি। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাজীবনের সময়টাও কেটেছে সেখানেই।

শৈশবের ঈদের স্মৃতি মনে করলে এখনো নস্টালজিক হয়ে পড়েন পরীমনি। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর এলেই সালামি নিয়ে ছোটবেলার নানা মজার স্মৃতি ভেসে ওঠে তার মনে।

পরীমনি বলেন, ‘রোজার ঈদ এলে সালামি নিয়ে আমাদের মধ্যে বেশ প্রতিযোগিতা লেগে যেত। সবাই ছিল প্রায় সমবয়সী। বিশেষ করে কাজিন স্বর্ণার সঙ্গে তো প্রায়ই মজার ঝগড়া বেধে যেত কে কত সালামি পেল, কারটা বেশি।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘স্বর্ণা বলত-‘এটা আমার টাকা, এটা আমার সালামি।’ আমরাও ছাড়তাম না। ছোটবেলার সেই সালামি নিয়ে খুনসুটি আর আনন্দের মুহূর্তগুলো এখনো মনে পড়লে খুব ভালো লাগে। কতই না মজা করতাম তখন!’

পরীমনির পেশাগত জীবন ভরপুর নানা রকম চড়াই উৎরাই দিয়ে। সবকিছু পেরিয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন আপন আলোয়। সর্বশেষ তার অভিনীত সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল ২০২৩ সালে। কিন্তু সেই বছরের তিনটি ছবিই দর্শক বা ব্যবসার দিক থেকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।

নতুন সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’ শুটিং শেষ হলেও এখনও মুক্তি পায়নি। আর ‘গোলাপ’ সিনেমার ঘোষণা পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া ২০২০ সালে থেমে থাকা ‘প্রীতিলতা’ ছবির শুটিংও অবশেষে শুরু হতে যাচ্ছে। এইসব নিয়ে পরী আছে বেশ সরব।