Image description

ইহুদিবাদী দেশ ইসরায়েলকে এখনো স্বীকৃতি দেয়নি বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশ। ফলে এসব দেশের নাগরিকদের ইসরায়েলে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে এরপরও নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে ২০১৬ সালে স্ত্রী নুসরাত আফিয়া বর্ষাকে নিয়ে ইসরায়েল ভ্রমণ করেন অভিনেতা এবং ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল।

বুধবার সন্ধ্যায় প্রবাসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান সামি এক ফেসবুক পোস্ট এ তথ্য জানান। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে দেওয়া ওই পোস্টটি এদিন দুপুরে ফের নিজের ফেসবুক পাতায় শেয়ার করেন প্রবাসী এই সাংবাদিক।

 

পোস্টে অনন্ত ও বর্ষার ইসরায়েল ভ্রমণের ভিসার পাতা জুড়ে দিয়ে জুলকারনাইন সায়ের বলেন, ‘এত চমৎকার সব সিনেমার আইডিয়া সেখান থেকেই বুঝি আসে? বাহ! ২০১৬ সালেও কিন্তু বাংলাদেশি পাসপোর্টে ইসরায়েল ভ্রমন নিষিদ্ধ ছিলো, আর আপনারা দু’জনই যে বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে সেখানে গিয়েছেন, সে প্রমানটাও আমাদের কাছে আছে। তা অনন্ত দ্যা গু-য়েন্দা কবে রিলিজ হবে?’

 

তিনি আরও লিখেন, ‘ছবিগুলো চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল ও তার স্ত্রী নায়িকা বর্ষার ইসরায়েল রাষ্ট্রে প্রবেশ ও বের হওয়ার অনুমোদন পত্র, যা প্রমান করে তারা ২০১৬ সালের জুন মাসের ১৭-২১ তারিখ পর্যন্ত ৪ দিন ইসরায়েলে কাটিয়েছেন, তারা সম্ভবত বলেছেন পবিত্র আল আকসা মসজিদে নামাজ আদায় করতে তারা সেখানে গিয়েছেন, কিন্তু বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্যে ভ্রমন নিষিদ্ধ ইসরায়েলে প্রবেশের জন্যে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে তারা কোন অনুমতিও নেন নি, আল আকসা মসজিদে নামাজ আদায় করতেও ৪ দিন লেগে যাবার কথা না। অনন্ত ও বর্ষা বাংলাদেশী পাসপোর্টেই ইসরায়েলে ভ্রমন করেছেন।’

 

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার পরও ২০১৬ সালে বাংলাদেশি পাসপোর্টে ইসরায়েল যান অনন্ত-বর্ষা

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পাসপোর্টে সব সময়েই ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করে বলা হতো, এই দেশ ছাড়া আর সব দেশ ভ্রমণের জন্য পাসপোর্টটি বৈধ। কিন্তু বাংলাদেশের নতুন ই-পাসপোর্টে 'ইসরায়েল ব্যতীত' অংশটি বাদ দিয়ে বলা হয়েছে বিশ্বের 'সব দেশের' ক্ষেত্রে এটি বৈধ।