Image description

রোজ রোজ অফিস যাওয়ার ঝামেলা থেকে বাঁচতে অনেকেরই প্রথম পছন্দ একটি হোম অফিসের চাকরি। এতে যানজট থেকে মুক্তি, পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর সুযোগ মেলে। একদিকে যেমন অর্থ সাশ্রয় হয়, তেমনি থাকে স্বাধীনতা। তবে এতসব সুবিধার মধ্যেও হোম অফিস করার কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে যা অনেকাংশে উপেক্ষিত থেকে যায়।

দিল্লির এক নারীর ভাষ্যে উঠে এসেছে হোম অফিসের কিছু সমস্যার কথা। নিজের ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ভিডিওতে এসব বিষয় তুলে ধরেছেন হিনা ডোগরা।

নিজের ভাইয়ের সঙ্গে তুলনা করে ডোগরা জানান, যারা বাসা থেকে কাজ করেন তারা অফিসের কর্মীদের তুলনায় কম সম্মান পান।

তিনি জানান, তার ভাই রোজ অফিস যায়। কিন্তু আয় করেন তার তুলনায় অনেক কম। তবুও সে-ই বেশি সম্মান পান, কারণ স্যুট-বুট পরে রোজ অফিসে যান তিনি। অন্যদিকে বেশি টাকা উপার্জন করা স্বত্বেও তাকে দেখা হয় এমন একজন হিসেবে, যিনি সারাদিন বাড়িতে শুয়ে-বসে থাকেন।

ডোগরা বলছিলেন, তার ভাই ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কাজ করেন। অন্যদিকে তাকে প্রায় সময়ই সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। অফিসে বেশি সময় দেওয়া স্বত্বেও, পরিবারের সদস্যরা আশা করেন— তিনিই সামলাবেন বাড়ির দায়িত্বগুলো।

পরিবারের সদস্যরা প্রশ্ন করেন, বাসায় বসে থাকার জন্য কে তাকে টাকা দেয়? তাদের ধারণা, ডোগরা ল্যাপটপে অল্প কিছু কাজ করেন, আর তার জন্যই পারিশ্রমিক পেয়ে যান।

তিনি বলছিলেন, বাসায় অতিথি আসলে কাজ থামিয়ে তিনিই চা-বিস্কুট দেবেন, আপ্যায়ন করবেন এমনটা আশা করা হয়। তার ভাষ্য, বাবা-মা বলে অফিসের মিটিং তো পরেও করা যাবে, কারণ সে তো বাসা থেকেই কাজ করে।

ডোগরার ভাষ্য, তার বন্ধুরা মনে করে বাসা থেকে কাজ করাটা আরামদায়ক। কিন্তু তিনি এটি খুব একটা উপভোগ করছেন না।

মজা করে শেষে তিনি বলেছেন, মনে হয় আমার কোম্পানি আমাকে রেখেছে যাতে বাসার অতিথিদের সেবাযত্ন করতে পারি।