ঢাকাই চলচ্চিত্রের মন্দা কিংবা জোয়ার সব সময়েই ভরসা জুগিয়েছেন শাকিব খান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। ২০০৬ সালের পর থেকেই ঢালিউডে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন শাকিব। এরপর টানা প্রায় দুই দশক ধরে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখে ভক্তদের কাছে অর্জন করেছেন ‘কিং খান’ ও ‘মেগাস্টার’ খ্যাতি। আজ এই তারকার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে সহকর্মী, নির্মাতা ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। প্রযোজক-পরিচালক থেকে শুরু করে হল মালিক সবার কাছেই আস্থার প্রতীক শাকিব খান। তাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে সিনেমার বাজেট, পরিকল্পনা ও ব্যবসার হিসাব। তার অভিনীত চলচ্চিত্র মানেই হলে দর্শকের ভিড় এমন ধারণা এখন বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ ২৬ বছরের ক্যারিয়ারের প্রায় ২০ বছরই তিনি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। ঢালিউডের মন্দার সময়েও আশার আলো দেখিয়েছেন এই তারকা।প্রবীণ থেকে নবীন—প্রায় সব প্রজন্মের নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন শাকিব খান। সহ-অভিনেত্রীদের তালিকাও সমৃদ্ধ। মৌসুমী, শাবনূর, পপি, পূর্ণিমার মতো তারকাদের পাশাপাশি বর্তমান প্রজন্মের সাবিলা নূর, তাসনিয়া ফারিণ ও তানজিন তিশার সঙ্গেও পর্দা ভাগ করেছেন তিনি।
শুধু দেশেই নয়, যৌথ প্রযোজনা ও কলকাতার চলচ্চিত্রেও কাজ করে দুই বাংলায় নিজের জনপ্রিয়তা বিস্তৃত করেছেন শাকিব খান। সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত তারকা হিসেবেও তিনি প্রতিষ্ঠিত। এবারের জন্মদিনও কাটছে কাজের মধ্যেই। বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন তিনি। সেখানে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মাণাধীন ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সিনেমার পর্দায় যেমন রাজত্ব, তেমনি বাস্তবেও নিজের অবস্থান অটুট রেখে বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনন্য অধ্যায়ের নাম হয়ে উঠেছেন শাকিব খান।