একসময় টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা মুখ শামস সুমন। মঞ্চ, ছোট ও বড় পর্দা—সব জায়গাতেই ছিল তার সরব উপস্থিতি। তবে অনেক বছর ধরেই অভিনয় থেকে দূরে তিনি।
বছর কয়েক আগে নাটকে তার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই উঠে আসে তার আক্ষেপভরা উত্তর, ‘আমাকে কেউ ডাকে না, তাই অভিনয় তেমন করা হয় না।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ থাকলেও কাজের সুযোগ পাননি।
নিজের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন একটি ট্রেডিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন। তবে তিনি কর্মরত ছিলেন রেডিও ভূমি-তে স্টেশন চিফ হিসেবে।
অভিনয়ে না ডাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শামস সুমন সেই সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘মধ্যবয়সী শিল্পীদের চাহিদা কমে যাওয়াই এর একটি বড় কারণ।
তাঁর কথায়, ‘মাথায় টাক পড়লে হয়তো বাবা চরিত্রে ডাক পেতাম, কিন্তু সেটাও হয়নি। তার পরও কেউ ডাকলে আমি অভিনয় করি।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সদস্য হিসেবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পথচলা শুরু তার। পরে নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন তিনি।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে মন জানেনা মনের ঠিকানা, কক্সবাজারে কাকাতুয়া, চোখের দেখা, প্রিয়া তুমি সুখী হও, আয়না কাহিনী, বিদ্রোহী পদ্মা, জয়যাত্রা, নমুনা ও হ্যালো অমিত।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে ল্যাবএইড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন এই অভিনেতা।