Image description

মসজিদের ফ্যান চালানো নিয়ে মারামারিতে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন প্রধান শিক্ষক ও একজন ইউপি সদস্য রয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঝিকরা গ্রামের উত্তরপাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটেছে।


পুলিশ ও আহতদের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঝিকরা গ্রামের উত্তরপাড়া জামে মসজিদে সারাদিন বৈদ্যুতিক পাখা চালিয়ে শুয়ে থাকেন কয়েকজন যুবক। এতে মসজিদে বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যায়। মসজিদটি নির্মাণাধীন হওয়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারছে না কমিটি। তাই যুবকদের তারা সারাদিন মসজিদের ফ্যান চালাতে নিষেধ করেন।

এর জেরে রাগান্বিত হয়ে মসজিদের পরিচালনা কমিটি সদস্য প্রধান শিক্ষক আব্দুল আহাদ এবং ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের ওপর হামলা চালায় তারা। পরে জোহরের নামাজের পরে মুসল্লিরা এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাদেরও বেধরক মারধর করা হয়।

 

হাসপাতালে আহত আনিসুর রহমান জানান, গ্রামের কাদের, শাহাদাত জলিল, রাসেল এবং এদের ভাতিজা ইমরান দিনের বেলায় মসজিদের ফ্যান চালিয়ে শুয়ে থাকেন। পরে মসজিদের পরিচালনা কমিটি সদস্যরা আব্দুল আহাদ কাদের, শাহাদাত জলিল, রাসেল এবং এদের ভাতিজা ইমরানকে মসজিদে অযথা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক পাখা চালাতে নিষেধ করেন।

এতে তারা রাগান্বিত হয়ে পরিচালনা কমিটির ওপর হামলা করে।

 

এ সময় কাদেরের ছুরিকাঘাতে আব্দুল আহাদ (৫০) মারাত্মক আহত হন। এ ছাড়া একই গ্রামের হাবিবুল্লাহ (২২), আজিবর খান (৬০), শাহিন (৩৫), আনিসুর রহমান (৪৫), বায়োজিদ (১৮), আজহারুল ইসলাম (৩০) ও অজিয়ার  রহমান (৫৫) আহত হন। 

আহতদের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্রধান শিক্ষক আব্দুল আহাদের বুকে এবং পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। 

 

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।