Image description

দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের শত শত ব্যক্তিগত লকার জব্দ রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) অনুরোধে লকারগুলো জব্দ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময় লকারগুলো খুলে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু নানা টানাপোড়েনের কারণে লকারগুলো আজও খোলা সম্ভব হয়নি। লকার খোলা নিয়ে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা। এ অবস্থায় যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই, তারাও নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যবহার করতে পারছেন না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের নামে থাকা প্রায় ৫৩২টি লকার অনুসন্ধানের আওতায় আসে। তবে দুদক থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৮ জনের লকার ও সম্পদ নিয়ে সরাসরি যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিপরীতে তিন শতাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও তাদের লকারও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, লকার খোলা নিয়ে মূল বিরোধ তৈরি হয়েছে দুদকের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে। দুদক চায়, ভবিষ্যতে কোনো লকার খুলতে হলে তাদের প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিনিধির উপস্থিতিতে তা খুলতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বড় অংশ এই প্রক্রিয়ায় আপত্তি জানিয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকলে তার ব্যক্তিগত লকার খোলার সময় তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতি কেন বাধ্যতামূলক হবে? ফলে তদন্তের প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রশ্ন—দুইয়ের টানাপোড়েনে আটকে আছে শত শত লকার।

শুরু যেভাবে: বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরীর লকারে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ, বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধারের ঘটনার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত লকার নিয়ে দুদকের নজরদারি বাড়ে। ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তার বাসায় অভিযান চালিয়ে আলমারির নিচে বিশেষভাবে রাখা ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা উদ্ধারের কথা জানায় দুদক। ওই ঘটনার সূত্র ধরেই বাংলাদেশ ব্যাংকে তার ব্যক্তিগত লকারের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে কয়েন ভল্টে থাকা তার নিরাপদ আমানত ভান্ডার খুলে তিনটি সিলগালা করা কৌটা থেকে ৫৫ হাজার ইউরো, ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার, প্রায় এক কেজি পাঁচ গ্রাম স্বর্ণ এবং ৭০ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত রসিদ পাওয়ার তথ্য পায় দুদক। সংস্থাটি জানায়, এসব সম্পদের উল্লেখ নিয়মিত আয়কর নথিতে পাওয়া যায়নি।

এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তার লকারের নিবন্ধন ও নথি যাচাই শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে আদালতের অনুমতি নিয়ে আরও কয়েকজনের লকার অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেয় দুদক। ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দুদক বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়ে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত লকার সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার অনুরোধ জানায়। পরে ২ মার্চ আদালতও লকার থেকে অর্থ বা মূল্যবান সম্পদ সরিয়ে নেওয়া ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এর মধ্যে একই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি দুদক পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জামানের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয়ে যায়। ঢাকা জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লকার খুলে সেখানে থাকা সম্পদের তালিকা তৈরির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপর অনুসন্ধানের গতি কার্যত থমকে যায়। তৎকালীন অনুসন্ধান দলের প্রধান কাজী সায়েমুজ্জামানকে প্রথমে তদন্তের দায়িত্ব থেকে সরানো হয়। পরে জনপ্রশাসন

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে তাকে দুদক থেকে অন্যত্র বদলি করা হয়। পরে দায়িত্ব পরিবর্তন হলেও অনুসন্ধানের দৃশ্যমান অগ্রগতি আর দেখা যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তার অভিযোগ, যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়ে তদন্ত চলতেই পারে। কিন্তু কোনো অভিযোগ ছাড়াই সব লকার একসঙ্গে দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা ন্যায়সংগত কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পর্যায়ের কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, চলমান অনুসন্ধান নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বললে ভবিষ্যতে হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণেই অনেক কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না।

‘মেয়ের বিয়ের গহনা, তবু খুলছে না লকার’ দীর্ঘদিন লকার বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন যেসব কর্মকর্তা সেখানে পারিবারিক স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী রেখেছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক নারী কর্মকর্তা বলেন, মেয়ের বিয়ের জন্য নিজের ও শাশুড়ির গহনা নিরাপদ ভেবে লকারে রেখেছিলেন। কিন্তু লকার বন্ধ হওয়ার পর মেয়ের বিয়েও সম্পন্ন হয়েছে, অথচ গহনাগুলো তিনি বের করতে পারেননি। তিনি বলেন, যদি তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অনুসন্ধান থাকত, তাহলে অন্তত সংশ্লিষ্ট কোনো নথি বা নোটিশ পাওয়ার কথা। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তিনি এমন কোনো কাগজ পাননি। লকারে থাকা গহনা ফেরত দিতে না পারায় পারিবারিকভাবেও তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছেন অন্য কর্মকর্তারাও। একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী কর্মকর্তা পারিবারিক প্রয়োজনে লকারে রাখা গহনা বিক্রি করতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি বলে সহকর্মীরা জানিয়েছেন। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, চিকিৎসা, সন্তানের শিক্ষা, বিয়ে কিংবা অন্য কোনো জরুরি প্রয়োজনে ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু বছরের পর বছর লকার বন্ধ থাকলে অভিযোগহীন ব্যক্তিরাও কার্যত এক ধরনের শাস্তির মুখে পড়ছেন।

কতগুলো লকার, কতজন সন্দেহের তালিকায়?

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নর কালবেলাকে জানান, শুধু মতিঝিল অফিসের সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে ৩১৩টি লকারের তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য শাখা ও অফিসেও লকার রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জন্য এসব লকারে ব্যক্তিগত মূল্যবান সামগ্রী রাখার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের সিলগালা করা বাক্স বা প্যাকেটও সংরক্ষণ করা হয়।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ৫৩২টি লকার এখন অনুসন্ধান ও বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে। কিন্তু সরাসরি যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে মাত্র ৫৮ জনকে। তিন শতাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলেও তাদের লকার ব্যবহারের সুযোগ সীমিত রয়েছে।

দুদকের সিদ্ধান্তে নতুন জটিলতা ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয়ে পাঠানো দুদকের একটি চিঠিকে কেন্দ্র করেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। দুদকের তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, অবৈধ সম্পদ গোপনে রাখার সুযোগ কমানো এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাইভেট ভল্ট ব্যবস্থার বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে ভল্ট খোলার সময় দুদক ও বিএফআইইউর প্রতিনিধি উপস্থিত রাখার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।

দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যুক্তি, কমিশনের সিদ্ধান্তের ফলে লকার খোলার ক্ষেত্রে আইনি বাধা থাকার কথা নয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের একটি অংশ মনে করছে, কোনো অভিযোগ ছাড়াই তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধির সামনে ব্যক্তিগত লকার খুলতে বাধ্য করা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদার প্রশ্ন তৈরি করে। এই মতবিরোধের কারণেই দীর্ঘদিন ধরে সমাধানহীন রয়েছে লকার সংকট।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান কালবেলাকে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বিনামূল্যে ছোট আকারের লকারের ব্যবস্থা করেছে। তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু কোনো অভিযোগ না থাকা কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও কেন একই নিয়ম প্রয়োগ করা হবে, সেটি বোধগম্য নয়।’

মুখপাত্রের ভাষ্য, ‘দুদক চায় লকার খোলার সময় তাদের প্রতিনিধি এবং বিএফআইইউর একজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। কিন্তু যার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই নেই, তাকে কেন ব্যক্তিগত লকার তৃতীয় পক্ষের উপস্থিতিতে খুলতে হবে—সেই প্রশ্নের গ্রহণযোগ্য উত্তর পাওয়া যায়নি। ‘তিনি বলেন, ‘বিষয়টি শুধু সম্পদের নয়, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার সঙ্গেও সম্পর্কিত।’ আরিফ হোসেন খানের মতে, ‘যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, তা হলে আইন অনুযায়ী, সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে সংশ্লিষ্ট লকার জব্দ বা তদন্তও করা সম্ভব। কিন্তু অভিযোগহীন সবাইকে একই কাঠামোর মধ্যে ফেলা যৌক্তিক কি না, সেটি পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।’

‘আবেদন করতে পারেন কর্মকর্তারা’ দুদকের মুখপাত্র ও উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ‘লকার বন্ধ থাকা কর্মকর্তারা চাইলে কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে অথবা আদালতে আবেদন করে তাদের লকার খোলার অনুমতি চাইতে পারেন।’ দুদকের কর্মকর্তাদের মতে, অনুসন্ধানের স্বার্থে কোনো সম্পদ সরিয়ে ফেলার সুযোগ রোধ করা জরুরি। বিশেষ করে পূর্বের অভিযানে এক সাবেক ডেপুটি গভর্নরের লকার থেকে বিপুল পরিমাণ অঘোষিত সম্পদ পাওয়ার ঘটনার পর পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশ্ন, ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেককে আলাদা আবেদন করতে হলে শত শত অভিযোগহীন কর্মকর্তা কেন প্রশাসনিক জটিলতার মধ্যে পড়বেন?

‘পুরো আর্থিক খাতের জন্য উদ্বেগের’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা অবশ্যই দেশের পুরো আর্থিক খাতের জন্য উদ্বেগের বিষয়। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তার মতে, কোনো অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ ও কার্যকর অনুসন্ধান হওয়া জরুরি। একই সঙ্গে অনুসন্ধানের নামে দীর্ঘসূত্রতাও গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, তদন্তের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ‘দুষ্টের দমন আর শিষ্টের লালন’। কিন্তু প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে নির্দোষ ব্যক্তিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এতে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি তদন্ত প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

‘আশ্বাস মিললেও সমাধান নেই’ লকার বন্ধের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের কাছেও অনুরোধ জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সে সময় সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বড় প্রশ্ন একটাই—এই অনুসন্ধান কবে শেষ হবে? একদিকে দুদকের দায়িত্ব দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা এবং অবৈধ সম্পদ শনাক্ত করা। অন্যদিকে অভিযোগহীন ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যবহারের অধিকারও সাংবিধানিক ও আইনি প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত।

প্রায় দেড় বছর ধরে এই দুই বাস্তবতার মাঝখানে আটকে আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের শত শত লকার। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের তদন্ত দ্রুত শেষ করে আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং অভিযোগহীন কর্মকর্তাদের লকার ব্যবহারের সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

কালবেলা