বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে গ্রাহক আস্থা, আমানত সংগ্রহ, শিল্প বিনিয়োগ ও রেমিট্যান্স আহরণ— সব সূচকেই এক অনন্য অবস্থান তৈরি করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। দেশের প্রায় ৩ কোটি গ্রাহকের এই ব্যাংকটি এখন শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বর্তমানে ব্যাংকটির আমানতের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা। একইসঙ্গে শিল্প খাতে সর্বাধিক বিনিয়োগকারী ব্যাংক হিসেবেও এটি শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৮৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ করে রেমিট্যান্স আহরণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে ইসলামী ব্যাংকের অবদান দিন দিন আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে যখন অনিশ্চয়তা, ডলার সংকট ও তারল্যচাপ তৈরি হয়েছে, তখন ইসলামী ব্যাংক তার বিস্তৃত গ্রাহকভিত্তি, শক্তিশালী রেমিট্যান্স নেটওয়ার্ক এবং শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ ব্যবস্থার কারণে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থানে থাকতে সক্ষম হয়েছে।
সুদভিত্তিক অর্থনীতির বিপরীতে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের মূল দর্শন হলো সুদ বা শোষণভিত্তিক আয় পরিহার করে ঝুঁকি ও মুনাফা ভাগাভাগির ভিত্তিতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা। ইসলামী অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ নীতি ‘আল-গুনমু বিল-গুরমি’— অর্থাৎ ক্ষতির ঝুঁকি ভাগ করে নেওয়ার বিনিময়েই মুনাফা অর্জনের অধিকার সৃষ্টি হয়।
এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দীর্ঘদিন ধরে শরিয়াহসম্মত বিনিয়োগ ও আর্থিক সেবা দিয়ে আসছে। ফলে ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি নিরাপদ ও নৈতিক ব্যাংকিং সেবার কারণেও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাংকটির প্রতি আস্থা বেড়েছে।
দেশের ইসলামী ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে বড় শক্তি
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ব্যাংকিং খাতের মোট আমানতের পরিমাণ প্রায় ২১ দশমিক ৩৪ ট্রিলিয়ন টাকা। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকিং খাতের আমানত প্রায় ৪ দশমিক ৭৪ ট্রিলিয়ন টাকা।
২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির আমানতের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৮৬ ট্রিলিয়ন টাকা, যা দেশের পুরো ইসলামী ব্যাংকিং খাতের মোট আমানতের প্রায় ৩৯ শতাংশ।
ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেখানে দেশের অন্যান্য বড় ব্যাংকগুলো ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বাজার অংশীদারত্বের জন্য প্রতিযোগিতা করে, সেখানে এককভাবে ইসলামী ব্যাংকের এই বিশাল আমানতভিত্তি দেশের আর্থিক খাতে তার শক্তিশালী অবস্থানেরই প্রতিফলন।
বিস্তৃত শাখা নেটওয়ার্ক ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রভাব
দেশব্যাপী প্রায় ৪০০টি শাখা, ২৭৬টি উপশাখা এবং প্রায় ২ হাজার ৮০০ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিয়েছে।
গ্রামীণ অর্থনীতিতে এই ব্যাংকের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি, ক্ষুদ্র ব্যবসা, প্রবাসী পরিবার ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে আর্থিক সেবা সহজলভ্য করার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতিশীলতা তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বহু অঞ্চলে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে প্রথম আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিয়েছে। ফলে নগদনির্ভর অর্থনীতি থেকে ডিজিটাল ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতির দিকে রূপান্তর ত্বরান্বিত হয়েছে।
রেমিট্যান্স আহরণে একক আধিপত্য
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। আর এই খাতে ইসলামী ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে পথিকৃৎ ভূমিকা পালন করছে।
বর্তমানে প্রায় ২ কোটি প্রবাসী বাংলাদেশির মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ প্রবাসী ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে অর্থ পাঠান। দ্রুত সেবা, বিস্তৃত বৈদেশিক এক্সচেঞ্জ নেটওয়ার্ক এবং গ্রাহক আস্থার কারণে প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাংকটির জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি।
২০২৫ সালে দেশে আসা মোট প্রায় ৪ হাজার ২৬ বিলিয়ন টাকার রেমিট্যান্সের প্রায় ১৯ শতাংশ এককভাবে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে। যার পরিমাণ প্রায় ৭৫৬ বিলিয়ন টাকা।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে আসা বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করেছে। একইসঙ্গে এই অর্থ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যয় হওয়ায় স্থানীয় বাজার, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও আবাসন খাতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সৃষ্টি হয়েছে।
ডলার সংকটে ‘শক অ্যাবজর্বার’ হিসেবে ভূমিকা
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও ডলার সংকটের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাতে চাপ তৈরি হলেও ইসলামী ব্যাংক তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে ছিল।
বিশেষ করে রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বৃহৎ আমানতভিত্তির কারণে ব্যাংকটি তারল্য ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ফলে দেশের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থায় এক ধরনের ‘শক অ্যাবজর্বার’ হিসেবে কাজ করেছে ব্যাংকটি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলায় শক্তিশালী রেমিট্যান্সভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা বলয় তৈরি করতে পারে।
২০২৬-২০৩০: স্মার্ট ইসলামী ব্যাংকিংয়ের নতুন যুগ
প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থার দ্রুত বিকাশের ফলে আগামী কয়েক বছরে ইসলামী ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষ করে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডাটা অ্যানালিটিক্স এবং শরিয়াহভিত্তিক স্মার্ট ফিন্যান্সিংয়ের মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হাইপার-পার্সোনালাইজড ফিনটেক সেবা
ব্যাংকটির ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘সেলফিন’ আগামী কয়েক বছরে একটি সাধারণ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ থেকে পূর্ণাঙ্গ ফিনটেক প্ল্যাটফর্মে রূপ নিতে পারে।
বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ব্যাংকের প্রায় ৮০ শতাংশ লেনদেন শাখাবিহীন ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ার ফলে গ্রাহকের বিনিয়োগ প্রবণতা, সঞ্চয় আচরণ এবং আর্থিক প্রয়োজন আগাম বিশ্লেষণ করে তাৎক্ষণিক সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এতে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের বিনিয়োগ অনুমোদন ও অর্থায়ন প্রক্রিয়াও আরও দ্রুত ও দক্ষ হয়ে উঠবে।
এলডিসি উত্তরণ ও নতুন শিল্পায়নের সম্ভাবনা
বাংলাদেশ ২০২৯ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে রয়েছে। এই উত্তরণের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং রপ্তানি খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
এমন বাস্তবতায় ইসলামী ব্যাংকিং খাত বিশেষ করে শরিয়াহভিত্তিক বন্ড বা ‘সুকুক’ দেশের শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০২৬-২০৩০ মেয়াদে হাই-টেক ম্যানুফ্যাকচারিং, রফতানিমুখী শিল্প এবং অবকাঠামো উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
একইসঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বেসরকারি বিনিয়োগের বড় একটি অংশ ইসলামী ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থায়িত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে।
অর্থনীতির নতুন বাস্তবতায় ইসলামী ব্যাংকের গুরুত্ব বাড়ছে
বিশ্বব্যাপী নৈতিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থব্যবস্থার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। ঝুঁকি ভাগাভাগি, বাস্তব সম্পদভিত্তিক বিনিয়োগ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে ইসলামী ব্যাংকিং এখন আর শুধু ধর্মীয় ধারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ইতোমধ্যে একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। আমানত, রেমিট্যান্স, শিল্প বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে এর অবদান ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতির গতিপথ নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ প্রসঙ্গে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. আলতাফ হুসাইন বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি শুধু একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়, এটি দেশের কোটি মানুষের আস্থা, প্রবাসীদের স্বপ্ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। প্রায় ৩ কোটি গ্রাহক, বিপুল আমানত, শিল্প খাতে বিনিয়োগ এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের মাধ্যমে এই ব্যাংক জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও ইসলামী ব্যাংকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে মানুষের আস্থাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। ইসলামী ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা দুর্বল হয়ে পড়লে তার প্রভাব শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কারণ দেশের লাখো পরিবার, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও প্রবাসীর আর্থিক কার্যক্রম এই ব্যাংকের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত।’
ভারপ্রাপ্ত এমডি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে নানা আলোচনা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে গ্রাহকদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই ব্যাংকের শক্তিশালী আমানতভিত্তি, বিস্তৃত গ্রাহক নেটওয়ার্ক এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় সহায়ক শক্তি। তাই ব্যাংকটির প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখা এবং গ্রাহকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উচিত হবে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষায় দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করা। একইসঙ্গে এমন কোনও পদক্ষেপ, বক্তব্য বা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে, যা দেশের অন্যতম বৃহৎ এই ব্যাংকটির স্থিতিশীলতা ও গ্রাহক আস্থার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে দেশের কোটি মানুষের অর্থনৈতিক স্বার্থ জড়িত। তাই এ প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব শুধু একটি ব্যাংকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং পুরো আর্থিক খাত ও জাতীয় অর্থনীতির ওপরও পড়ে।’
দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে ইসলামী ব্যাংক দেশের মানুষের সঞ্চয় ও বিনিয়োগের সবচেয়ে নিরাপদ ও বিশ্বস্ত কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছাবে। দেশের বৃহৎ এই ব্যাংকটিকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ, গ্রাহকবান্ধব ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে আমরা কাজ করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হলে একটি স্থিতিশীল ও আস্থাভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রয়োজন। ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ সেই স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’