Image description

পুরোনো বছর বিদায় নিলেও প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) সাফল্যের ধারাবাহিকতা চলছেই। নতুন বছরেও শিরোপার মুখ দেখল লুইস এনরিকের শিষ্যরা। ফরাসি সুপার কাপে মার্সেইয়ের সঙ্গে ধুন্ধুমার লড়াইয়ে নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে সমতার পর টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে জিতে শিরোপা উঁচিয়ে ধরল পিএসজি। এই নিয়ে টানা চতুর্থ ও রেকর্ড ১৪ বার ফরাসি সুপার কাপ জিতল পিএসজি। সবশেষ ১৩ বারের মধ্যে ১২ বারই জয়ী তারা। এই হারে মার্সেইয়ের আক্ষেপ আরো বাড়ল। ২০১১-১২ মৌসুমে ফরাসি কাপ জয়ের পর থেকে আর কোনো শিরোপা জিততে পারেনি দলটি।

ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেওয়া গোলটি করেছেন গনজালো রামোস। ৯০ মিনিট পেরিয়ে যোগ করা ছয় মিনিটের পঞ্চম মিনিটের খেলা চলছিল তখন। ম্যাচে এগিয়ে থেকে ১৪ বছরের মধ্যে প্রথম শিরোপার সুবাস পাচ্ছিল মার্সেই। ঠিক সেই মুহূর্তেই চমক! যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ভিতিনিয়ার উঁচু করে বাড়ানো বল হেড পাস করেন ব্রাডলি বার্কোলা আর ছয় গজ বক্সের মুখ থেকে ভলিতে জালে পাঠান বদলি নামা পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

এর আগে ম্যাচের প্রথম গোলে দলকে এগিয়ে নেন উসমান দেম্বেলে। ত্রয়োদশ মিনিটে তার গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৬ মিনিটে সফল স্পট-কিকে সমতা ফেরান ম্যাসন গ্রিনউড। এরপর ৮৭ মিনিটে পিএসজির ডিফেন্ডার উইলিয়ান পাচোর আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় মার্সেই। পিএসজির পরাজয় যখন মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার, তখনই রামোসের চমক। বাকিটা গোলরক্ষক শুভালিয়ের কাজ। টাইব্রেকারে পিএসজির হয়ে গোল করেন রামোস, ভিতিনিয়া, নুনো মেন্দেস ও দিজিরে দুয়ে। তবে দুটি শট ঠেকিয়ে নায়ক আসলে গোলরক্ষক শুভালিয়ে। গত আগস্টে পিএসজির হয়ে অভিষেকেও দলের ট্রফি জয়ের নায়ক ছিলেন এই ফরাসি গোলরক্ষক।