নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নতুন ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ‘ডমেস্টিক থ্রি’ বা ‘ডি থ্রি’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে। তিন বছরের চুক্তিতে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে দলগুলোর স্বত্বাধিকার দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই টুর্নামেন্টের কাঠামো ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
তবে নতুন এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাননি বিসিবি সভাপতি। বরং ব্যর্থতার আশঙ্কায় পিছিয়ে না গিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
তামিম বলেন, ‘এই একটা বিষয়ে আমি এবং আমার বোর্ড সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস করি, আমরা চেষ্টা করতেই থাকবো। আমি জানি না সফল হবো কি না। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, আমি এবং আমার বোর্ড ব্যর্থতাকে ভয় পাই না।’
ব্যর্থতা এলে সেখান থেকেও শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান বিসিবি সভাপতি। তার ভাষায়, ‘আমরা চেষ্টা করতেই থাকবো, করতেই থাকবো। ব্যর্থতা যদি হয়, সেটা থেকে শিখবো, আবার করতে থাকবো। এটাই আমার বোর্ড এবং আমার বোর্ড সদস্যদের মূলমন্ত্র।’
বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে হারিয়ে যাওয়া আগ্রহ ও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানান তামিম। তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, ধাপে ধাপে আপনারা সবাই অনেক কিছু জানতে পারবেন। অনেক কিছু আছে, কিছু চমকও আছে। কিন্তু এর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশি ঘরোয়া ক্রিকেটে আবার সেই রঙ ফিরিয়ে আনা। এবং আমি বেশ নিশ্চিত, এই জায়গা থেকে আমরা এই বিষয়টা করতে পারব।’
ডি থ্রির মাধ্যমে সময়ের সঙ্গে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিসিবি সভাপতি। তিনি জানান, প্রতিটি দল তিন বছর করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে থাকবে।
তামিম বলেন, ‘প্রত্যেকটা দলে যে নির্বাচন হবে, যে দলে তিনটা বছর করে এই দলের সঙ্গে থাকতে পারবে। এখানে অভ্যন্তরীণ খেলোয়াড় বদলি ব্যবস্থা থাকবে, খেলোয়াড় ছাড়ার ব্যবস্থা থাকবে, ছোট নিলাম থাকবে। আরও অনেক অনেক কিছু থাকবে। আমি নিশ্চিত, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনারা সবকিছু জানতে পারবেন এবং আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে এটা অবশ্যই বাংলাদেশি ঘরোয়া ক্রিকেটকে বদলে দেবে।’