Image description

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) এলিট প্যানেলের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এরই মধ্যে তার পদত্যাগপত্রও প্রায় এক বছর পর গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

এসব বিষয় নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে বিসিবি।

 

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, সৈকত বিসিবির চুক্তিভুক্ত আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তার সর্বশেষ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয় ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে।

এরপর আর চুক্তি নবায়ন করা হয়নি।

 

বিসিবির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সৈকত বর্তমানে আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার দায়িত্ব বেড়ে যাওয়ায় বিসিবির হয়ে আগের মতো নিয়মিত কাজ করার সুযোগ কমে যেতে পারে—এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নতুন করে চুক্তি বাড়ানো হয়নি।

 

বিসিবি জানিয়েছে, আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় রাখা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রচলিত নয়।

কারণ, আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার ব্যস্ততার কারণে জাতীয় বোর্ডের সূচি অনুযায়ী নিয়মিত দায়িত্ব পালন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

 

তবে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থাকলেও সৈকতের সঙ্গে বিসিবির সম্পর্ক শেষ হয়ে যাচ্ছে না। সময়-সুযোগ মিললে দ্বিপক্ষীয় আন্তর্জাতিক সিরিজের পাশাপাশি দেশের প্রথম শ্রেণি, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে আম্পায়ার হিসেবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

এ প্রসঙ্গে বিসিবি উল্লেখ করেছে, কেন্দ্রীয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও একই ব্যবস্থায় গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।