এই প্রথমবার আসিয়ান দেশগুলোকে নিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপ করতে যাচ্ছে। ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর দুই বিভাগে ১৪টি দেশ অংশ নেবে। আসিয়ান দেশগুলোর বাইরে ভারত ও পাকিস্তান আমন্ত্রণ পেলেও তাতে নেই বাংলাদেশ!
টুর্নামেন্টে প্রিমিয়ার ডিভিশনে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া (আয়োজক), ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত ও পাকিস্তান খেলবে।
চ্যালেঞ্জ ডিভিশনে আবার হংকং (আয়োজক), মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, লাওস, ব্রুনাই ও পূর্ব তিমুর রয়েছে।
প্রতিটি দল দুই থেকে চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। ফিফা চাইছে নির্ধারিত উইন্ডোতে প্রীতি ম্যাচের জায়গায় টুর্নামেন্ট চালু করতে। অনেকটা আরব কাপের মতো
এই প্রতিযোগিতায় ডিভিশন-১ চ্যাম্পিয়নের প্রাইজমানি প্রায় ১০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা)। ডিভিশন-২- এ চ্যাম্পিয়ন প্রায় ৩ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি দলের অংশগ্রহণ ফি ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার।
শুরুতে দক্ষিণ এশিয়া থেকে ভারত আমন্ত্রণ পেলেও শেষ মুহূর্তে চীন নাম প্রত্যাহার করায় পাকিস্তান ডাক পায়। যদিও ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অনেক পরে থাকলেও পাকিস্তান ঠিকই আসিয়ান টুর্নামেন্টে জায়গা করে নিয়েছে।
তবে শুধু বাংলাদেশ নয়, মালদ্বীপসহ অন্য দলও ডাক পায়নি। এ নিয়ে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল কোনও মন্তব্য করেননি। তবে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার বাংলা ট্রিবিউনকে শুধু বলেছেন, ‘এই টুর্নামেন্টে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।’
এ প্রসঙ্গে বাফুফে ও সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলালের ব্যাখ্যা, ‘আমার মনে হচ্ছে পাকিস্তান আসিয়ান টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে মূলত স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি দিয়ে। ওদের র্যাংকিং যা তাতে করে ওদের আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা নয়। আগে থেকে ওরা হয়তো যোগাযোগ করে আসছে। চীন নাম প্রত্যাহার করায় ওদের জন্য সুবিধা হয়। আর বাংলাদেশ কেন ডাক পায়নি তা বলা কঠিন। হয়তো স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসির দিক দিয়ে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। তবে এই টুর্নামেন্টে খেললে বাংলাদেশের জন্য ভালো হতো।’
এদিকে, বাংলাদেশ এই সময়ে ঢাকায় তিনজাতি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায়। তা নাহলে কিরগিজস্তানে গিয়ে খেলতে হতে পারে।