ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারে রেকর্ডের অভাব নেই। মাঠের সেই রেকর্ড এবার ছুঁয়ে গেল সংগ্রাহকদের বাজারেও। পর্তুগিজ মহাতারকার একটি বিরল ফুটবল কার্ড ব্যক্তিগত বিক্রিতে হাতবদল হয়েছে ১৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা প্রায় ১৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ প্যানিনি কাবুম সিরিজের সবুজ রঙের ওয়ান অব ওয়ান নম্বরড কার্ডটি বিক্রি হয়েছে ফ্যানাটিকস কালেক্টের ব্যক্তিগত বিক্রির মাধ্যমে। কার্ডটিতে রোনালদোকে দেখা যায় জুভেন্টাসের জার্সিতে। এটি এখন পর্যন্ত কোনো রোনালদো কার্ডের সর্বোচ্চ বিক্রিমূল্য।
ফুটবল কার্ডের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামি বিক্রি। শীর্ষে আছে লিওনেল মেসির রুকি কার্ড, যার দাম উঠেছিল ১৫ লাখ ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রোনালদোর এই কার্ড পেলের রুকি কার্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে; পেলের সেই কার্ড বিক্রি হয়েছিল ১৩ লাখ ৩০ হাজার ডলারে, প্রায় ১৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
রোনালদোর কার্ডের আগের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। গত ২২ মে ফ্যানাটিকস প্রিমিয়ার নিলামে তার ২০১৫ প্যানিনি ফ্ললেস ফিনিশেস ব্ল্যাক ওয়ান অব ওয়ান কার্ডটি ওই দামে বিক্রি হয়।
ক্রেতার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে ‘cherubcards’ নামে পরিচিত এক হাই-এন্ড সংগ্রাহক ২০২৪ সালের মার্চে কার্ডটি কিনেছিলেন এবং দ্য অ্যাথলেটিককে নিশ্চিত করেছেন, তিনিই এই বিক্রির বিক্রেতা।
মাঠেও সময়টা রোনালদোর জন্য বিশেষ। আল নাসরের হয়ে তিনি সম্প্রতি সৌদি প্রো লিগের প্রথম শিরোপা জিতেছেন। একই সঙ্গে পর্তুগালের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। ২০২৬ বিশ্বকাপে খেললে সেটি হবে তাঁর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ।
গত আগস্ট থেকে মেসির অন্তত সাতটি কার্ড ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। বিপরীতে রোনালদোর কার্ড এত দিন সে বাজারে তুলনামূলক পিছিয়েই ছিল। তবে এক সপ্তাহে তাঁর দুটি কার্ড ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় সংগ্রাহকদের বাজারেও নতুন করে আলোচনায় উঠে এলেন পর্তুগিজ তারকা।