Image description

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক মাস বাকি। এখনো চূড়ান্ত হয়নি চীন ও ভারতের মতো বাজারে টিভি সম্প্রচার স্বত্ব। যে কারণে এই দুই দেশের দর্শকরা বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচ দেখতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। 

 
 

ফিফা যখন বিশ্বকাপের দল সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করেছিল, তখন উদ্দেশ্য ছিল ভারত ও চীনের মতো বিশাল বাজারকে মূল আসরে টেনে আনা। কিন্তু মাঠের লড়াই শুরুর আগেই সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে দর কষাকষি।

ভারতে সম্প্রচার স্বত্বের দাম ১০০ মিলিয়ন ডলার থেকে কমিয়ে ৩৫ মিলিয়ন ডলারে নামালেও এখনও কোনো চুক্তি হয়নি। রিলায়েন্স ও ডিজনির একীভূত সংস্থা ‘জিওস্টার’ মাত্র ২০ মিলিয়ন ডলার প্রস্তাব করেছে, যা ফিফার প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।

এর আগে, ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনতে ‘সনি’ প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল। পরে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের জন্য ‘ভায়াকম১৮’ দেয় ৬২ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন।

২০২২ বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের আসরের সময়সূচি ভারতের জন্য ততটা সুবিধাজনক নয়। উপমহাদেশে মধ্যরাতের আগে শুরু হবে মাত্র ১৪টি ম্যাচ। ২০১৮ সালে একটি বাদে বাকি সব ম্যাচই শুরু হয়েছিল মধ্যরাতের আগে আর ২০২২ সালে ২০টি বাদে বাকি সব ম্যাচ।

চীনের বিষয়টি ফিফার জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০২২ বিশ্বকাপে বৈশ্বিক টিভি দর্শকের প্রায় ১৭.৭ শতাংশ এসেছিল চীন থেকে। ডিজিটাল ও সামাজিক মাধ্যমে এই হার ছিল প্রায় ৪৯.৮ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও চীনের মতো বাজার যদি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে বড় ছাড় আদায় করতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলিও একই কৌশল নিতে পারে। এতে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্বের বাজারমূল্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।