Image description

নাহিদ রানার প্রশংসা আগেও করেছেন শন টেইট। তবে এবার যার সঙ্গে তুলনা টেনেছেন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ তাতে গর্বই হওয়ার কথা নাহিদের। নব্বইয়ের দশকের ভয়ংকর পেসার ওয়াকার ইউনিসের সঙ্গে যে তুলনা টেনেছেন তিনি।

গতির সঙ্গে যিনি রিভার্স সুইং করতে সিদ্ধহস্ত ছিলেন।

সঙ্গে ওয়াকারের ভয়ংকর ইয়র্কার তো ছিলোই। নাহিদকে দেখে পাকিস্তানের সাবেক পেসারের ওয়াকারের কথা মনে পড়ল টেইটের। আজ চট্টগ্রামের সংবাদ সম্মেলনে এসে সেই স্মৃতি আওড়ালেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক গতি দানব।

 

শিষ্যকে নিয়ে টেইট বলেছেন, ‘এই সিরিজে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি যা উপভোগ করেছি, তা হলো গত ম্যাচে তার করা ইয়র্কারগুলো।

ওয়াকার ইউনুসের দিনের কথা মনে করিয়ে দেয় অনেকটা। একজন ফাস্ট বোলার এসে টপ অর্ডারের উইকেট তুলে নিচ্ছে, শেষে ইয়র্কারে লেজের ব্যাটাদের আউট করছে, এটা দেখতে আমার দারুণ লাগে। ব্যক্তিগতভাবে এটা আমার খুব পছন্দের।’

 

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার সবে ২ বছর পূর্ণ হয়েছে নাহিদের।

২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক হওয়ার পর থেকেই গতি আর বাউন্সে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে আসছেন তিনি। ইদানিং ইয়র্কারেও ব্যাটারদের মনে ভয় ধরিয়ে দিচ্ছেন ২৩ বছর বয়সী পেসার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নেওয়ার পথে যেভাবে জেইডন লিনক্সের স্টাম্প ভাঙলেন। ব্যাটারদের ভড়কে দেওয়ার জন্য এই অস্ত্র এখন প্রায়ই ব্যবহার করছেন তিনি।

 

শুধু ওয়াকারের স্মৃতি নয়, নিজের সঙ্গেও মিল দেখছেন টেইট।

আর সেটা স্বাভাবিকভাবেই গতির কারণে। ক্রিকেটের ইতিহাসে গতিময় পেসার একজন যে তিনি। ফিটনেসের দিক থেকে নাহিদ তার চেয়েও ভালো বলেও স্বীকার করেছেন। বাংলাদেশের বোলিং কোচ বলেছেন, ‘(নাহিদের সঙ্গে) অনেক মিল আছে, কিছু পার্থক্যও আছে। সে খুবই ফিট। আমার চেয়েও বেশি ফিট। একটু বেশি ভারী হওয়ায় আমার জন্য দ্রুত বল করাটা একটু বেশিই কঠিন ছিল। তবে তার জন্য এটা একটু সহজ, কারণ সে দুর্দান্ত অ্যাথলেট। বেশ ছিপছিপে আর শক্তিশালী। ফাস্ট বোলার হিসেবে তার শারীরিক গঠন বেশ ভালো।’