Image description

দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশেষ করে বর্তমান বোর্ডের ৭ জন পরিচালকের পদত্যাগের পর নতুন বোর্ড গঠনের আলোচনা জোরালো হয়। মূলত সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে ঢাকার ক্লাবগুলোর বেশিরভাগ পরিচালক পদপ্রার্থী নির্বাচন বর্জন করেছিলেন। পরবর্তীতে এই বোর্ডের অধীনে কোনো লিগেও অংশ নেননি তারা।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মিরপুর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘একটা কথা আমি বলতে চাই আজকে সবার সামনে। এই নির্বাচন হওয়ার আগে কে কত দৌড় ঝাঁপ করেছে, কে উপদেষ্টা মহোদয়ের কাছে ভোর ৫টা পর্যন্ত মিটিং করেছে, এগুলো আমি জানি। বনিবনা হয়নি বা কী হয়েছে, তা আমি জানি না।’

তিনি যোগ করেন, ‘আমি তো কোনোদিন তার বাসার বাইরে গাড়ি পার্ক করে গাড়িতে ঘুমিয়ে যাইনি। সে কখন আমাকে ডাকবে। এ জিনিসটা সে জানে। এই জিনিসটা সে জানে, তাকে কীভাবে কত মানুষ চেষ্টা করেছে তার সঙ্গে কথা বলার, দেখা করার।’

ফারুক আরও বলেন, ‘ষড়যন্ত্র যারা করেছে তারা আগের বোর্ডে ছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ছিল, তারপরও আছে। সুতরাং যারা আমাকে চেনেন– এসব কাজের সাথে আমি কখনো জড়িত না। আমি যা করি সামনের দিক দিয়ে করি। আমার নিজের ওপর বিশ্বাস আছে। যেহেতু আমি নীতিগতভাবে খুবই একজন স্বচ্ছ মানুষ। আমার চেষ্টা ভালো কিছু করার। সে জন্য নিজের দুর্নাম করে হলেও ভালো কেমনে করবো তাই চিন্তা করি। সবাই নিজেকে ভালো রাখে। যারা এসব কথা বলে বেড়ায়, তাদের আয়নায় চেহারাটা দেখা দরকার যে তারা কী করেছিল সেই সময়।’