Image description

প্রথম ওভারেই সাফল্য পেলেন তাসকিন আহমেদ। পাকিস্তানের তারকা ওপেনার শাহিবজাদা ফারহানকে ইনিংসের প্রথম ওভারেই ক্যাচ তুলতে বাধ্য করেন দেশের গতিময় পেসার তাসকিন আহমেদ। তার গতির বলে উইকেটে পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তাসকিন।

 

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে পাকিস্তানের আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাতকে ফেরান তরুণ পেসার নাহিদ রান। ২ ওভারে ১২ রানে ২ ওপেনারের উইকেট হারিয়ে বিপাকে পাকিস্তান।

তিন ম্যাচের সিরিজ নিধারণী খেলায় প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৯০ রান করে বাংলাদেশ। র্টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৬ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে বাংলাদেশ। বিনা উইকেটে দলীয় একশ রানের ঘরে পৌঁছায় স্বাগতিকরা।

দলীয় ১০৫ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (৩৬)। তবে উইকেটের আরেক পাশে সাবলীলভাবে ব্যাট চালাতে থাকেন তানজিদ তামিম।

তামিমকে সঙ্গ দিতে থাকা নাজমুল হোসেন শান্তও (২৭) ফেরেন পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফের ওভারে। এরপর লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে থাকেন তানজিদ।

অবশেষে ৩৩তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মেরেই নিজের শতকের দেখা পেলেন তানজিদ তামিম। সেঞ্চুরির জন্য তিনি খরচ করেছেন ৯৮ বল, ৭টি ছক্কা এবং ৬টি চারের মারে সাজানো ছিল তার এই দারুণ ইনিংস।

তবে সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংসটা লম্বা করতে পারেনি এই ওপেনার। ফেরেন ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন। 

দলীয় ২৬২ রানে ফেরেন লিটন কুমার দাস। তিনি ৫১ বলে এক চার আর এক ছক্কায় ৪১ রান করে ফেরেন। তবে পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যান তাওহীদ হৃদয়। তার ৪৪ বলের ৪৮ রানের ইনিংসের সুবাদে ২৯০ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।