Image description

সাতক্ষীরায় নিজের বাসায় সময় কাটাচ্ছেন সাবিনা খাতুন। আপাতত কোনও খেলা নেই। নেই অনুশীলনও। ভাগ্যসুপ্রসন্ন হলে এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে দলের সঙ্গে তিনিও থাকতে পারতেন। কিন্তু কোচ পিটার বাটলারের সঙ্গে বিদ্রোহ ও পরবর্তী ঘটনায় আর জাতীয় দলে থাকা হয়নি। তবে না থাকলেও ঠিকই খোঁজ খবর রাখেন এক সময়ের সতীর্থদের।  

এশিয়ার শীর্ষ স্তরে প্রথমবার বাংলাদেশের নারীরা খেলার অপেক্ষায়।  তাই মনে প্রাণে চাইছেন, যেন এশিয়ান কাপে সাধ্যমতো লড়াই করে বাংলাদেশ। 

১ মার্চ শুরু হতে যাচ্ছে এশিয়ান কাপ নারী ফুটবলের এবারের আসর। ৩ মার্চ চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে যাত্রা শুরু করবে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তান।

প্রথম দুটি দল বিশ্বমানের। জেতা কিংবা ড্র করা বেশ কঠিন। তবে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে কিছু একটা করার সংকল্প। তবে ২০২২ ও ২০২৪ টানা দুটি সাফ জেতা অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের আশা, বাংলাদেশ দল যেন নিজেদের উজার করে খেলে ইতিবাচক পারফরম্যান্স করতে পারে। 

বাংলা ট্রিবিউনকে সাবিনা বলেছেন, ‘ওরা দেশের জন্য খেলতে গেছে। এশিয়ান পর্যায়ে খেলার সুযোগ আগে কখনও আসেনি। তাই আমি মনে করি ওরা দেশের জন্য লড়াই করবে, এটাই প্রত্যাশা। একজন ফুটবলার হিসেবে চাই বাংলাদেশ দল ভালো পারফর্ম করুক।’

সাবিনার নেতৃত্বে টানা দুই সাফের পর প্রথমবার সাফ ফুটসাল শিরোপাও জিতেছে বাংলাদেশ। থাইল্যান্ডে জেতার পর বেশ রব উঠেছিল ফুটবলে আবার দেখা যেতে পারে সাবিনা- মাসুরা- কৃষ্ণাদের। কিন্তু পিটার বাটলার কোনও কিছুতেই কর্ণপাত করেননি। এ নিয়ে যদিও আফসোস নেই সাবিনার, ‘দেখুন এসব নিয়ে ভাবিনা। আগে কী হয়েছে তা মনে করতে চাই না। যেভাবে চলছে চলুক।’

তবে অদূর ভবিষ্যতে জাতীয় ফুটবল দলে ফেরার সুপ্ত ইচ্ছে লুকাতে পারেননি ৩২ বছর বয়সী ফুটবলার, ‘আমাকে যেখানে প্রয়োজন খেলবো। এ নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই।  আগে কী হয়েছে তা নিয়ে ভাবতে চাই না।’

অবসর নিয়ে এখনই কিছু ভাবতে চান না সাবিনা। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে চান। খেলতে চান আরও কয়েক বছর।