চলতি বিপিএলে ছয় ম্যাচ খেলে চতুর্থ হার দেখলো ঢাকা ক্যাপিটালস। মোহাম্মদ মিঠুনের দলকে ২০ রানে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এলো মেহেদী হাসান মিরাজের সিলেট টাইটান্স। অষ্টম ম্যাচে এটি সিলেটের চতুর্থ জয়।
ঢাকার লক্ষ্য ছিল বেশ বড়, ১৮১ রান। রান তাড়ায় রহমানুল্লাহ গুরবাজ আর আবদুল্লাহ আল মামুন ঢাকাকে এনে দেন উড়ন্ত সূচনা। ৩৫ বলের উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ৫৬ রান। রুয়েল মিয়াকে টানা তিন বাউন্ডারি হাঁকানোর পর ধরা দেন মামুন। ১১ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান।
আগের ম্যাচে ঝড় তোলা নাসির হোসেন এবার সুবিধা করতে পারেননি। ৭ বলে ৩ করে নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।
শামীম পাটোয়ারী (১) হন দুর্ভাগ্যের শিকার। নিশ্চিত ছক্কা বাঁচিয়ে বাউন্ডারির বাইরে থেকে বল ওপরে ঠেলে দ্বিতীয়বার চোখ ধাঁধানো এক ক্যাচ নেন ব্রুকস।
চতুর্থ উইকেটে সাইফ হাসানকে নিয়ে জুটি গড়ে তোলেন গুরবাজ। তবে ফিফটির পরই ফিরে যান আফগান ওপেনার। ভাঙে ২৪ বলে ৩৭ রানের জুটি। ৪৪ বলে ৩ চার আর ২ ছক্কায় ৫১ রান আসে গুরবাজের ব্যাট থেকে।
এরপর সাইফ হাসানও (১৪ বলে ২২) বড় শট হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে বিপদে পড়ে ঢাকা। ১০৯ রানে হারায় ৫ উইকেট। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন (৭) আর ইমাদ ওয়াসিমও (৮ বলে ১২) দাঁড়াতে পারেননি। ফলে পরাজয় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় ৩ ওভার বাকি থাকতেই।
শেষদিকে সাব্বির রহমান ১৬ বলে ২ ছক্কায় অপরাজিত ২৫ রান তুলে পরাজয়ের ব্যবধানই যা একটু কমিয়েছেন। সিলেটের সালমান ইরশাদ ৩টি আর মঈন আলি নেন ২টি উইকেট।
এর আগে ১৮ ওভার শেষে সিলেট টাইটান্সের রান ছিল ৫ উইকেটে ১৩৫। ১৯তম ওভারে নাসির হোসেনের ওপর চড়াও হন মঈন আলি। এক ওভারেই ৩ ছক্কা আর ২ বাউন্ডারিতে তুলে নিলেন ২৮ রান। মঈনের এই শেষের ক্যামিওতে ভর করেই ৬ উইকেটে ১৮০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করায় সিলেট।
টস হেরে ব্যাট করতে নামা স্বাগতিক সিলেটকে টপ আর মিডল অর্ডার আজ ভালোই ভরসা দিয়েছেন। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ২৪ বলে ৩২ আর তাওফিক খান ২১ বলে ১৭ রান।
আফিফ হোসেন ভালো করতে পারেননি। ৯ বল খেলে করেন ৬ রান। তবে তরুণ আরিফুল হক সুযোগ পেয়ে ২৯ বলে ৪ বাউন্ডারিতে খেলেছেন ৩৮ রানের ইনিংস। ২৩ বলে ৩৩ করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
আর শেষদিকে মঈন আলী ৮ বলে ২ চার আর ৩ ছক্কায় ২৮ রান তুলে দিয়ে যান। ২ বলে ১ ছক্কায় ৭ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
জিয়াউর রহমান ৩৫ রানের বিনিময়ে নেন ৩টি উইকেট।