Image description

২০৩০ বিশ্বকাপেও দল বাড়ানোর আলোচনা চলছে। সেটা হতে পারে ৬৪ দল! যদিও সব কিছু এখনও আলোচনার পর্যায়ে। কিন্তু এমন পরিকল্পনায় ফিফার কড়া সমালোচনা করেছেন লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস। তার অভিযোগ, বিশ্বকাপের পরিধি বাড়ানোর নামে ফিফা পুরো ফুটবল শিল্পকেই ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। 

ইতালির ক্রীড়া দৈনিক লা গাজেত্তা দেলো স্পোর্ত-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, ফুটবলের বিশ্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ আচরণ করছে।


তেবাসের মতে, বিশ্বকাপ যতই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট হোক না কেন, ফুটবল কেবল বিশ্বকাপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,‘ফুটবল শিল্প শুধু বিশ্বকাপকে ঘিরে নয়। তারা এমন একটি শিল্পকে ধ্বংস করছে, যা হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করে। অথচ পুরো আয়োজন মাত্র ৪০ দিনের, যেখানে অংশ নেয় অল্পসংখ্যক খেলোয়াড়।’

গত জুনে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০৩০ বিশ্বকাপকে ৬৪ দলের করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান। শতবর্ষের এই বিশ্বকাপের মূল আয়োজক হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। পাশাপাশি উদ্বোধনী ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে।

এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে তেবাস বলেছেন, প্রতিযোগিতার সূচি নিয়ে তারা আগেও উদ্বেগ জানিয়েছিলেন। এখন আবার ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনা সেই সংকট আরও বাড়িয়ে তুলবে,‘আমরা বারবার প্রতিযোগিতার সূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। এখন তারা ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায়। অথচ এই খেলাকে টিকিয়ে রাখে ঘরোয়া লিগগুলো।’

 

তেবাসের মতে, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের সংখ্যা বাড়ানোর বদলে জাতীয় দলের ম্যাচ কমানো এবং দেশীয় ফুটবলকে আরও বেশি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন, ‘আমাদের আরও কম জাতীয় দলের ম্যাচ দরকার এবং সব স্তরে ঘরোয়া ফুটবলকে আরও ভালোভাবে সুরক্ষা দিতে হবে। কিন্তু তারা সেটা বুঝতে পারছে না, বরং দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে যাচ্ছে।’

সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তেবাস। তার দাবি, গত এক দশক ধরে ফিফায় যে ব্যবস্থার মধ্যে ইনফান্তিনো নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন, সেটি মৌলিকভাবেই ত্রুটিপূর্ণ। তাই তার ভাষায়, ‘ইনফান্তিনোর সময় শেষ।’