Image description

বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে দুই দলের দেখা হয়েছে মাত্র একবার। এই আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাওয়া আর্জেন্টিনা ও স্পেন বিশ্বমঞ্চে মাঠে নেমেছিল ১৯৬৬ বিশ্বকাপে। দুই দলের সেই লড়াইটা কেমন ছিল?

দীর্ঘ এক লড়াই শেষে মায়ামির ফাইনালে মাঠে নামছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা ও লামিন ইয়ামালের স্পেন। লাতিন ও ইউরোপের দুই পরাশক্তি এর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে একবারই মুখোমুখি হয়েছে।

১৯৬৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ১৩ জুলাই ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের ভিলা পার্কে দেখা হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও স্পেনের। সেই ম্যাচে স্পেনকে ২-১ গোলে হারায় আলবিসেলেস্তেরা। ৬৬ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন আর্জেন্টিনার লুইস আরতিম। ৭২ মিনিটে স্পেনকে ম্যাচে ফেরান পিরি। ৭৯ মিনিটে জয়সূচক গোল আসে সেই আরতিমের পা থেকেই।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনা ও স্পেন মুখোমুখি হয়েছে ১৪ ম্যাচে। দুই দলই জিতেছে ৬টি করে ম্যাচ।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের প্রথম দেখা ৭ ডিসেম্বর ১৯৫২ সালে। সেই ম্যাচে ১-০ গোলের জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের প্রথম জয়টা আসে ১৯৬১ সালের ১১ জুন। প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলে হারায় স্পেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেন সবশেষ মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৮ সালের ২৭ মার্চ। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ৬-১ গোলে বিধ্বস্ত করে স্পেন। এই ম্যাচে মাংসপেশির ইনজুরির কারণে খেলেননি মেসি। তবে গ্যালারি থেকেই দেখেছিলেন আর্জেন্টিনার এই শোচনীয় হার। ইসকোর হ্যাটট্রিকে সেদিন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নিজেদের সবচেয়ে বড় জয়টা তুলে নিয়েছিল স্প্যানিশরা।

স্পেনের বিপক্ষে মেসি মাঠে নেমেছেন দুইবার। ২০০৯ সালে স্পেনের সঙ্গে প্রথম দেখাটা সুখকর হয়নি। সেবার মেসি গোল পেলেও স্পেন শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় পায়। পরের বছর অবশ্য এই হারের বদলা নেয় মেসির দল। স্পেনকে ৪-১ ব্যবধানে হারানোর ম্যাচে প্রথম গোলটা এসেছিল মেসির পা থেকেই। স্প্যানিশদের বিপক্ষে এটাই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় জয়।

৮ বছর পর আবারও মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামছেন মেসি। ২০১৮ সালের সেই ম্যাচে স্কোয়াডে ছিলেন, এরকম ফুটবলার এবারের ফাইনালে আছেন মাত্র ৫ জন। স্পেনের হয়ে সেবার বেঞ্চে ছিলেন রদ্রি। আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন ওতামেন্দি, তাগিয়াফিকো, লাউতারো মার্তিনেস, বেঞ্চে ছিলেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস।