মহাকাব্যই হয়েছিল প্যারিসে। ৯ গোলের রোমাঞ্চে ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয় কেড়েছিল পিএসজি-বায়ার্ন। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় দুই দলের চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের আজকের ম্যাচটা সেই উচ্চতায় পৌঁছেনি। পিএসজির জন্য এর দরকারও ছিল না। ড্র করলেই চলত তাদের। বায়ার্নের সঙ্গে ১- ১ গোলে ড্র করে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে পৌঁছাল লুইস এনরিকের দল।
ফল
বায়ার্ন ১-১ পিএসজি
(দুই লেগ মিলিয়ে পিএসজি ৬-৫ গোলে জয়ী)
দর্শকরা ভালোভাবে গ্যালারিতে বসার আগেই গোল পেয়ে যায় পিএসজি। ২ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে কাভারেইস্কার পাসে অসাধারণ শটে গোল করেন উসমান দেম্বেলে। এই গোলই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। ইনজুরি টাইমে হ্যারি কেইন এক গোল ফিরিয়ে রোমাঞ্চও ফিরিয়েছিলেন ম্যাচে। তবে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
প্রথম লেগ ৫-৪ গোলে জিতেছিল পিএসজি। দ্বিতীয় লেগে ১-১ সমতা থাকায় তাদের অগ্রগামিতা ৬-৫ ব্যবধানের।
দেম্বেলের ২ মিনিট ১৯ সেকেন্ডে করা গোলটা চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের তৃতীয় দ্রুততম। গত মৌসুমে বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩০ সেকেন্ডে করা মার্কাস থুরামের গোলটা এই মঞ্চের দ্রুততম।
দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের কীর্তি কেভিন ডি ব্রুইনের। ২০২১-২২ মৌসুমের সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির কেভিন ডি ব্রুইন।
অবশ্য বিরতির আগে পেনাল্টির জোরালো দাবি জানিয়েছিল বায়ার্ন। ভিতিনিয়ার শট তার সতীর্থ হোয়াও নেভেসের হাতে লাগলে পেনাল্টির আবেদন জানিয়েছিল তারা। কিন্তু ফুটবল আইনে এটা পেনাল্টি না হওয়ায় রেফারি তো বটেই ভিএআরও তাতে সাড়া দেয়নি।
(বিস্তারিত আসছে)