মাত্র ১০ বছর আগে রূপকথার গল্প রচনা করে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছিল লেস্টার সিটি। সেই ক্লাবকেই এবার খেলতে হবে তৃতীয় বিভাগে, এটা কিছুতেই মানতে পারছেন না সমর্থকরা। হাল সিটির সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে অবনমন নিশ্চিত হয়েছে হামজা চৌধুরীর দলের। ম্যাচ শেষে সমর্থকদের তীব্র ক্ষোভের মুখে সব দায়ভার নিজের কাঁধেই তুলে নিলেন হামজা।
এই মৌসুমে শুরু থেকেই ধুঁকছিল লেস্টার। মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে যোগ হয়েছিল আর্থিক অনিয়মের দায়ে ৬ পয়েন্ট জরিমানা। অবনমন থেকে বাঁচতে হাল সিটির বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না লেস্টারের। সেই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র করে হামজারা, নিশ্চিত হয় লেস্টারের অবনমন। ২০০৯ সালের পর আবারও তৃতীয় বিভাগে নেমে গেছে লেস্টার।
ক্লাবের এমন পতনে ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্ষোভ করছিলেন বেশ কিছু সমর্থক। ওই সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান দলের অন্যতম বড় তারকা হামজা। তখন তাকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করতে থাকেন সমর্থকরা। অনেকে বলেন, দলের অবস্থা ভালো নয়, তাই সমর্থকরাও ভালো নেই। হামজাসহ দলের সবার উচিত এই ব্যর্থতার দায় স্বীকার করা।
হামজা অবশ্য ঠাণ্ডা মাথাতেই সামলেছেন পুরো পরিস্থিতি। সমর্থকরা উত্তপ্ত ও অশ্লীল বাক্য ছুড়ে দিলেও হামজা সেসবের কড়া জবাব দেননি। তিনি সমর্থকদের জানিয়েছেন, দলের এমন পতনের দায়ভার তাদের সবারই। সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহবানও জানিয়েছেন। হামজা পরের মৌসুমে লেস্টারের হয়ে তৃতীয় বিভাগে খেলবেন কিনা, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। ধারণা করা হচ্ছে, প্রিমিয়ার লিগের কোনো ক্লাবে দেখা যেতে পারে তাকে।