দুর্বলতা সত্ত্বেও নির্বাচন উপভোগ করেছে দেশবাসী: জামায়াত

আরটিএনএন
Image description
 

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কিছু দুর্বলতা ও অনিয়ম থাকা সত্ত্বেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামগ্রিকভাবে দেশবাসী উপভোগ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি। 

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা আবদুল হালিম, এনসিপির জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মনিরা শারমিন, এবি পার্টির নেতা আলতাফ হোসেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, দপ্তর সম্পাদক মো. মিরাজ খান, খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, এলডিপির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুর রহমান এবং জাগপার প্রচার সম্পাদক এস এম জিয়াউল আনোয়ার ব্যারিস্টার সাইফ উদ্দীন খালেদ।

অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণের সার্বিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশকারীরা ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। কোথাও কোথাও ভোট গণনাও শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, আজ বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিগত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। সেই প্রেক্ষাপটে ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকার ছিল বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। আজ সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।

তিনি দাবি করেন, ভোর ৭টা থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। শহরাঞ্চল থেকে অনেকে গ্রামে গিয়ে ভোট দিয়েছেন।

নির্বাচনী অনিয়মের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শরীয়তপুর-২, কুমিল্লা-৮ ও পটুয়াখালী-১ আসনসহ কয়েকটি কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং কোথাও কোথাও হুমকি ও নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব বিষয় নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ৫২ হাজার ৫০০-এর বেশি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া যাবে। একটি আসনে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। পোস্টাল ভোট, গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে পূর্ণাঙ্গ ফল পেতে কাল সকাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, গতকাল থেকে বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া ট্রায়াল দেখা গেছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সব উদ্বেগকে ব্যর্থ প্রমাণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কিছু দুর্বলতা ও অনিয়ম থাকলেও বড় ধরনের সহিংসতা হয়নি। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে যে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। অনিয়ম ও হামলার ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সাংগঠনিক প্রক্রিয়া মেনে পর্যায়ক্রমে ফলাফল জানানো হবে।

দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, সচেতন ও দায়িত্বশীল জনগোষ্ঠী কখনো হার মানে না। শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ দেখতে চাই।


author

Ari budin

#

Programmer, Father, Husband, I design and develop Bootstrap template, founder