Image description

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, নোয়াখালী একটি প্রাচীন জেলা হিসেবে ভবিষ্যতে বিভাগীয় মর্যাদা পাবে। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। এজন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীতে দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় হান্নান মাসউদ বলেন, “নোয়াখালী যেন গরিবের বউ সবার ভাবি না হয়। জমি ছিনিয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।”

তিনি নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও জেলা উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। বিশেষ করে হাতিয়া, সূবর্ণচর, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট এলাকার নদীভাঙনের কারণে মানুষ দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছে। মাইজদী শহরের জলাবদ্ধতা সমাধানও জোট ক্ষমতায় এলে অগ্রাধিকার পাবে।

হান্নান মাসউদ ব্লু ইকোনমি জোন ও ফিশারিজ-মেরিন ইউনিভার্সিটি স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, জোট ক্ষমতায় এলে এসব প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হবে।

তিনি বিতর্কিত ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবাভাতার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন। হান্নান মাসউদ বলেন, “একটি দল ভোটারকে বিভ্রান্ত করছে। তারা ক্ষমতায় এলে এসব সুবিধা শুধু নেতাদের স্ত্রীরাই পাবে, সাধারণ মানুষ নয়। আমাদের লক্ষ্য সাধারণ মানুষকে সুষ্ঠু সুবিধা দেওয়া।”

জনসভায় জেলা জামায়াতের আমির মো. ইসহাক খন্দকার সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন: জেলা এনসিপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন। নোয়াখালী-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. ছাইফ উল্যাহ। নোয়াখালী-২ আসনের এনসিপি প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া। নোয়াখালী-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন

কেন্দ্রীয় পর্যায়ের উপস্থিত ছিলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম বিল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু. মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদী ও তথ্য সম্পাদক মুহাম্মাদ সায়েদ সুমন।