জুলাই আন্দোলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের কী অবদান আছে, তা জানতে চেয়ে প্রমাণ হাজির করার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে রংপুর নগরীর কাচারী বাজার এলাকায় পীর কেরামত আলী জৌনপুরীর মাজার জিয়ারত শেষে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে নিষিদ্ধে এনসিপির দাবি নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।
জিএম কাদের বলেন, এনসিপির যে নেতারা বলছে তারা কোথা থেকে আসলো। তাদের কী অবদান এই দেশের জন্য আছে? তাদের কি অবদান এই আন্দোলনের জন্য আছে? আমি চাই তারা প্রমাণসহ সামনে হাজির হোক, আমরা চ্যালেঞ্জ করলাম আজকে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত-এনসিপি ও সমমনা দলগুলো দেশের মানুষের ওপর নির্যাতন চাপিয়ে দিচ্ছে। তাই তারা নিজস্ব মতবাদের বাইরের লোককে খতম করার কাজে নেমেছে। এবং পরিকল্পিতভাবে তারা মবের নামে গণহত্যা করছে।
জিএম কাদের আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমি আশঙ্কা করছি তারা সামনের দিনে বিচারের নামে প্রহসন করে আরও কিছু গণহত্যা করবে। আমি বিশ্বাস করি এবং আশঙ্কা করি সামনের দিকে আমাদের দুর্দিন আসছে। তারা যে পলিসিতে যাচ্ছেন এক-এক করে ওনাদের প্রতিপক্ষকে প্রথমে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ ধরছে, এখন সম্পূর্ণ মিথ্যাভাবে ‘কালার’ করে আমাদেরকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তারপরে হয়তো আরেকটা দলকে ধরবেন। তারা হয়তো এখনো বুঝে উঠতে পারেননি কিন্ত সময় হলে বুঝতে পারবে।’
‘মামলা যারা দিয়েছেন তারাও জানে সব মামলা মিথ্যা। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদের দামে যে মামলা দেওয়া হয়েছে সবগুলো মিথ্যা মামলা। আমাদেরকে মামলার ভয় দেখিয়ে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করছে।’
এর আগে, সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে রংপুরে আসেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। পরে তিনি সেনপাড়া কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের কবরের জিয়ারত শেষে পল্লী নিবাসে পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ এর কবর জিয়ারত করেন। এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ইয়াসির, ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা কমিটির সভাপতি আজমল হোসেন লেবু, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুজ্জামান নাজিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।