কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে এনসিপির প্রার্থী ও দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারব এক কাপ চায়ের টাকাও দুর্নীতি করি নাই। নির্বাচিত হলে একটি টাকাও দুর্নীতি করব না। হলফনামায় যে সম্পদ আছে এর বাইরে কোনো সম্পদ আমার থাকবে না। আমি কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। সংসদের বেতনের বাইরে কোনো সুযোগ-সুবিধা নেব না।’
তিনি বলেন, ‘আমি যে ঘোষণা দিয়েছি সে ঘোষণার বাস্তবায়ন করব, ইনশাআল্লাহ। কিন্তু আমার প্রতিপক্ষের ঋণ, তাদের অর্থ, তাদের হলফনামা আপনারা দেখেন? তাদের আশপাশে কারা থাকে? মাদক ব্যবসায়ী, মাদকের ডিলার, মাটিখেকো, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং দুর্নীতিবাজ দখলবাজরা।’
শুক্রবার বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে হাসনাত এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্রের মানসকন্যা। অন্যায়ের সঙ্গে তিনি কখনো আপস করেননি। উনার দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত উনি নিজেই। আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতবাসী করুক।
হাসনাত বলেন, যেকোনো মূল্যে ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে। সন্ত্রাস-চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে এবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোট দিতে হবে। আমি নির্বাচিত হলে কোনো চাঁদাবাজি হতে দিব না, কোনো টেন্ডারবাজি হতে দিব না। দেবিদ্বার হবে শান্তির জনপদ। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ তার আত্মমর্যাদা নিয়ে সমাজে বসবাস করবে। আমাদের দলের কোনো নেতাকর্মী যদি অন্যায়-অপরাধে জড়িত হয়, অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত হয় তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে শরিফ ওসমান হাদির আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে। হাদির মতো শত শত দেশপ্রেমিক তৈরি করতে হবে। তিনি যেই ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছেন, সেই স্বপ্ন আমাদেরকে বাস্তবায়ন করতে হবে।
হাসনাত আরও বলেন, জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদ আমাকে যে সেক্রিফাইস করেছেন তার সম্মান-ইজ্জত-মর্যাদা আমি রক্ষা করব। আসন ছেড়ে দিয়ে তিনি আমাকে যেই উদারতা দেখিয়েছেন এই ঋণ আমি কখনো শোধ করতে পারব না। আমি সব সময় উনার পরামর্শ নিয়ে এগিয়ে যাব।
এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ শাপলা কলির পক্ষে ভোট চান। দোয়া মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, পৌর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ ফেরদৌস আহমেদ।