Image description

গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি পদমর্যাদার দলীয় মুখপাত্র ফারুক হাসান দাবি করেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের শহীদ ওসমান হাদি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ সংশ্লিষ্টদের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিক্রিকারী গাদ্দার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে গেছেন। একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে জনগণ যেন ক্ষমা না করে, এমন বক্তব্যও ওসমান হাদি দিয়ে গেছেন বলে দাবি করেন তিনি। বুধবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব বলেন।

ফারুক বলেছেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শিশু শাখা জাতীয় নাগরিক পার্টির গালিগালাজবিষয়ক সম্পাদক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী সম্পর্কে আমাদের সবার প্রিয় শহীদ ওসমান হাদি বলে গেছেন যে এরা হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিক্রিকারী গাদ্দার। আর এই গাদ্দারদের জনগণ যাতে ক্ষমা না করে।’

গণ অধিকার পরিষদের এ নেতা মন্তব্য করেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সারজিস আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কি না, তা যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে! একটি প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের পরিচালক যারা থাকেন, তারা সরকারের গ্রেডভুক্ত কোনো আমলা না। এটা বোঝার কিংবা জানার জন্য পিএইচডি করার প্রয়োজন নেই, এটা জেনারেল নলেজের মধ্যে পড়ে।’

বিদ্যুৎ বিভাগের পূর্বাঞ্চলের পরিচালক নিয়োগ পাওয়া ফারুক বলছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হয়ে এবং একটি পার্টির গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে থেকে এ সাধারণ জ্ঞান যদি না থাকে, তাহলে বলতে বাধ্য হচ্ছি, সারজিস কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল?’

তার ভাষ্য, ‘বিগত সময়ে ছাত্রলীগের ব্যানারে পরীক্ষা ছাড়াই অবৈধ উপায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকেই প্রবেশ করেছে। বলা তো যায় না, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সারজিস আলমও সে পথ অনুসরণ করেছিল কি না!’

ঢাবি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে ফারুক বলেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত সারজিসের ভর্তির পরীক্ষার সময়কার কাগজপত্র পুনঃযাচাই করে দেখা। আর সারজিসের প্রতি পরামর্শ, আপাতত রাজনীতি থেকে ইস্তফা দিয়ে পড়াশোনা করো, ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।’