Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে সংগঠনটির একদল সাবেক অনুসারী। জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়ার পর ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ নামে গোপন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এর নেপথ্যে সংগঠকের ভূমিকায় কাজ করছেন ছাত্রলীগ অনুসারী আবিদ আব্দুল্লাহ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমার দেশের কাছে আবিদ স্বীকার করেছেন, তিনি ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই নেটওয়ার্কে আরাফাত চৌধুরী ও হাসান জুবায়ের নামের আরো দুই অনুসারীর সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে এসেছে। অনুসন্ধানে পাওয়া ভিডিও ফুটেজ এবং ছাত্রলীগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রলীগসংশ্লিষ্ট সাবেক নেতাকর্মীরা পরিচয় গোপন রেখে সাংগঠনিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’-এর কার্যক্রম সম্পর্কে ছাত্রলীগের বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সক্রিয় অংশ ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ নামে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠনের উদ্যোগ নেয়। প্ল্যাটফর্মটি জুলাই বিপ্লববিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটি ভবিষ্যতে একটি সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক তৈরির অংশ হিসেবে কাজ করবে বলে লক্ষ্য তাদের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গত বছর থেকে প্ল্যাটফর্মটি সক্রিয় রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও প্ল্যাটফর্মটির লোকেশন দেখানো হয়েছে ধানমন্ডি ৩২।

এদিকে, চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি আমার দেশের কাছে সাক্ষাৎকারে আবিদ আব্দুল্লাহ ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফর্মটি সংগঠিত করছে বলে স্বীকার করেন। তিনি প্ল্যাটফর্মটিকে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সেবামূলক উদ্যোগ বলে দাবি করেন। আবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে।

এ বিষয়ে আবিদ আব্দুল্লাহ বলেন, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই। পরে এই কার্যক্রম সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে প্ল্যাটফর্মটির জন্য অনুদান সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এখন সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চলছে।

নিজের বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, আমরা ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফর্মটা নিয়ে কাজ করছি। এর মাধ্যমে সামাজিক কার্যক্রম ধরে রাখার চেষ্টা করব। কিন্তু সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ দোকান পোড়ানোর ঘটনায় আমি সমালোচনার মুখে পড়েছি। আমরা চাইছিলাম টিচারদের দিয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে কার্যক্রম চালাতে। ফান্ডিংয়ের জন্য সাদা দলের আহ্বায়ক মুর্শেদ হাসান খানের কাছেও সহায়তা চেয়েছি।

তিনি জানান, প্ল্যাটফর্মটির জন্য বর্তমানে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। তার ভাষ্য, ডেটা কালেক্ট করছি। ডেটা কালেকশন এবং প্ল্যাটফর্মের থিম তৈরিতে কাজ করছে হাসান জুবায়ের।

হাসান জুবায়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ফরাসি ভাষার শিক্ষার্থী। তিনি আবিদ আব্দুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। ডাকসু নির্বাচনেও কার্যনির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি।

আবিদ আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা ইনিশিয়াল ডেটা কালেকশন করছি। টাইম দেওয়া লাগছে। আশপাশে ঘনিষ্ঠদের নিয়েই আপাতত কার্যক্রম চালাচ্ছি। তার দাবি, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় তিনি মিছিল-মিটিংয়ের ছবি বা ভিডিও প্রকাশ্যে সংরক্ষণ করেননি।

তার ভাষ্য, আমি ক্যাম্পাসে প্রথম দিন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছি। কিন্তু মিছিল-মিটিংয়ের কোনো প্রমাণ পাবলিক করে রাখিনি। কারণ আমার মনে হতো রেজিম চেঞ্জ হবে।

ছাত্রলীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আবিদ আব্দুল্লাহ বলেন, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের অবস্থা এখন শোচনীয় হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে। তবে ক্ষমতায় আসা কঠিন হয়ে যাবে।

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নিজের অবস্থান সম্পর্কে আবিদ আব্দুল্লাহ বলেন, আমি জুলাইয়ের ৭ তারিখে বাড়িতে চলে যাই। জুলাইয়ের ১৫ তারিখে ছাত্রলীগকে সমালোচনা করে পোস্ট দিই। পরে চাপের মুখে পোস্ট ‘অনলি মি’ করে দিই। আমি সেই পোস্ট না দিলে আমাকে সবাই বয়কট করত। সাহস নিয়ে রিস্ক নিতে হয়েছে।

আবিদ আব্দুল্লাহর দাবি, ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি এবং আরাফাত চৌধুরী দুজনই ছাত্রলীগসংশ্লিষ্ট পরিচয়ের কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে বিভিন্ন সাবেক ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, আরাফাত চৌধুরী ছাত্রলীগের একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আবিদ আব্দুল্লাহ বলেন, ডাকসু নির্বাচন করতে গিয়ে আমার এবং আরাফাত চৌধুরীর ওপর ছাত্রলীগ ট্যাগ আসে। এই ট্যাগ সামাল দিতে বেগ পেতে হয়েছে। পরে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্পাদক পর্যায়ের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, আরাফাত চৌধুরী ছাত্রলীগ নেটওয়ার্কে যুক্ত।

তিনি বলেন, বরিশালে কোরামের ওয়ালিউল সুমন এবং শেখ মোহাম্মদ নাইম (গোপাল)-এর সঙ্গে আমার কথা হয়। গোপাল আমাকে জানায়, আরাফাত চৌধুরী গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে কানেক্টেড।

আবিদের দাবি, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ছাত্রলীগ নেতা জুলিয়াস সিজার ও আরাফাত চৌধুরী একসময় ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরা করতেন এবং ‘নিরাপত্তা মঞ্চ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মে একসঙ্গে কাজ করতেন। তিনি আরো বলেন, আমি এবং আরাফাত চৌধুরীর একাধিক প্রোগ্রামের ফুটেজ ছাত্রলীগের অফিসিয়াল পেজে পোস্ট হয়েছে।

২৯ জুন আবিদ আব্দুল্লাহ আমার দেশকে জানান, ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফর্মটির কাজ চলমান। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল না হওয়ার কাজে গতি আসছে না, নবীন শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, আপাতত আমার ঘনিষ্ঠজনদের মাধ্যমে কার্যক্রম চালাচ্ছি। ফান্ড কালেকশনের কাজ চলছে।

এদিকে, ৩ জুলাই আমার দেশ-এ ‘ঢাবিতে ছদ্মবেশে সক্রিয় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে আবিদ আব্দুল্লাহ আমার দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে সরেজমিনে গিয়ে তার দেখা মেলেনি। মোবাইলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন আরাফাত চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘নেক্সটজেন বাংলাদেশ’ আমার প্রজেক্ট না। আমার প্রজেক্ট হলে আমি এটার পেছনে সময় দিতাম। আমি খুবই সিলেক্টিভ। এসব প্ল্যাটফর্মে দেওয়ার মতো সময় আমার নেই।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে ছাত্রলীগ এখন অপ্রাসঙ্গিক। আমি যেসব কর্মসূচি দেই, তা ব্যক্তি উদ্যোগে। ছাত্রলীগের যখন পিক টাইম ছিল তখন সাদ্দাম হোসেন আমাকে অনেক অফার করেছে, কিন্তু আমি যাইনি। ছাত্রলীগ এখন আমাকে কী দিতে পারবে?

তবে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ছাত্রলীগ নেতা জুলিয়াস সিজারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি স্বীকার করে আরাফাত বলেন, জুলিয়াস সিজারের সঙ্গে কাজ করেছি। নিরাপত্তা মঞ্চের কাজের কারণে আমাদের ঘনিষ্ঠতা ছিল, এটা সত্য। তবে এটি কারো একক প্রতিষ্ঠান নয়। প্ল্যাটফর্মটির কোনো কমিটি ছিল না। আমরা ব্যক্তি উদ্যোগে কাজ করেছি।

আবিদ আব্দুল্লাহর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টিও অস্বীকার করেননি আরাফাত চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা প্রায় সময় সাক্ষাৎ করি। একসঙ্গে কর্মসূচি করেছি। অনুসন্ধান করে পাওয়া একাধিক ভিডিও ফুটেজেও বিভিন্ন সময়ে আবিদ আব্দুল্লাহ ও আরাফাত চৌধুরীকে একসঙ্গে দেখা যায়।

এদিকে ডাকসু নির্বাচনে আবিদ আব্দুল্লাহ ছাত্রলীগ-সমর্থিত প্যানেল থেকে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে এবং আরাফাত চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন । আবিদ আব্দুল্লাহ ২৪২৩ এবং আরাফাত চৌধুরী ৪০৪৪ ভোট পান।

প্ল্যাটফর্মটির ডেটা কালেকশন ও থিম তৈরিতে কাজ করা হাসান জুবায়ের বলেন, একটি প্ল্যাটফর্মের ব্যাপারে আমি আবিদ আব্দুল্লাহকে সহযোগিতা করেছি। তবে সেটি ছাত্রলীগের প্লাটফর্ম ছিল এমনটি আমাকে জানানো হয়নি।

এদিকে, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ছাত্রলীগের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে হাসান জুবায়ের ফাহাদ আব্দুল্লাহ নামের আরেক ছাত্রনেতার ব্যাপারে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি দাবি করেন, আবিদ আব্দুল্লাহ, ফাহাদ আল আব্দুল্লাহ এরা যে ছাত্রলীগের এক্টিভিটি চালায় তা সবাই জানে। কিন্তু তাদের কেউ ছাত্রলীগ নেটওয়ার্কের প্রমাণসহ ধরতে পারে না।

ফাহাদ আব্দুল্লাহ ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এই ছাত্রনেতা আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে হল সংসদের প্যাড ব্যবহার করে শোক জানান। পরে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েলের মৃত্যুতে শোক জানানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে ফাহাদ আব্দুল্লাহ বলেন, হল সংসদের সাবেক ভিপি হিসেবে তার প্রতি শোক জানিয়েছি। তিনি জানান, হলে ছাত্রলীগের নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে। তবে গোপনে কারা কাজ করছে তা বের করা কঠিন।

জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারে আবিদ আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে হাসীব আল হাসান নামের আরেক শিক্ষার্থীর নাম উঠে আসে। হাসীব আল হাসান আরবি বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের একই হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তিনিও ডাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন করেন।

নাম গোপন রাখা শর্তে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, হাসীব আল হাসান প্রথম বর্ষের শুরু থেকে ছাত্রলীগের কট্টর অনুসারী ছিলেন। বর্তমানে সে ছাত্রলীগের নেটওয়ার্কে সক্রিয় বলে আমাদের ধারণা। ছাত্রলীগ এক্টিভিস্ট আবিদ আব্দুল্লাহর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। হাসীব আল হাসানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম চালাতে দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিষিদ্ধ সংগঠনটি গোপনে তৎপরতা চালালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের ব্যাপারে অমনোযোগী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন বলেন, আমরা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রমের ব্যাপারে সতর্ক রয়েছি। তারপরও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কেউ কেউ অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে সম্প্রতি নিষিদ্ধ সংগঠনটি সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। এর নেপথ্যে যারা কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সচেষ্ট হবে।

উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেসানি বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ গোপনে তৎপরতা চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইবে। ককটেল বোমা ফাটিয়ে জল ঘোলা করে সুবিধা নিতে চাইবে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, যেসব তথ্য প্রমাণ প্রশাসনের হাতে এসেছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনটির অনুসারীরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।