ভারত বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পলাতক আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে একটা দেয়া হইছে। মূলত বলতে চাইছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে ভারতের কত লাভ হইতো, সিকিউরিটি নিয়া টেনশন করা লাগতো না। আর বর্তমান তারেক রহমানের সরকার ভারতের শত্রুদের সাথে বেশি ওঠাবসা শুরু করছে। এই সরকার যে ভারতের পায়ের কাছে একবারে নতজানু হয়ে বসে থাকেনি সেটা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে।
পোস্টটিতে ওই পেইজের এভারেজের চেয়ে অনেক বেশি মানুষ এংগেজ করেছেন। কমেন্ট পড়েছে ৪ হাজারের মতো। আমি শ তিনক কমেন্ট পড়লাম কুইক। প্রতিটি কমেন্টই পাইলাম তারেক রহমানের সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে। কমেন্ট করেছেন যারা তারা সবাই বিএনপি না। জামায়াতের লোকজন কমেন্ট করেছে, অন্যান্য মতাদর্শী এবং একদম সাধারণ অনেক আইডি থেকে কমেন্ট করেও সরকারের এই অবস্থানকে স্বাগত জানানো হয়েছে। আমার দেখা কমেন্টগুলোর মধ্যে একটাও পাইলাম না যেখানে আওয়ামী লীগের ক্ষোভের সাথে একমত হইছে।
বুঝা যাচ্ছে, দলমত নির্বিশেষে মানুষ এই ধারণায় পৌঁছাইছে যে, আওয়ামী লীগ একটা বহির্শক্তি।
এই সরকারের জন্য এটা একটা বিশাল সুবিধা যে,
পররাষ্ট্র নীতিতে নতজানু মনে হবে এমন আচরণ থেকে দূরে থাকলেই বেশিরভাগ মানুষের কাছে সরকার গ্রহণযোগ্য থাকবে। সাথে দুর্নীতি একটু কমানো, আইন শৃঙ্খলা নরমাল রাখা, আর দাম সহনীয় থাকা। তাইলে পাবলিক জোর করে সরকারকে ক্ষমতায় রাখবে।
আওয়ামী লীগ কী পরিমাণ ডিলিউশনড হইলে ওরা ওদের মেইন স্ট্রেংগথ হিসেবে এখনও ভারতকে সার্ভ করার বিষয়টিকে দেখে থাকে। যেন ভারত ওদেরকে আবার ক্ষমতায় বসায় দেবে!,
ডিলিউশনডরা এটা বুঝতেছে না যে, তারেক রহমানের সরকার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকলে আর ভারতের সাথে কোন ধরনের হোস্টিলিটি শুরু না করলে (যে শুরু করার কোন কারণই নাই) আওয়ামী লীগের ওপর থেকে বেট ওঠায়া নেওয়া ভারতের জন্য কোন বিষয়ই না।