Image description

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে স্থান পাওয়া মোহাম্মদ আরিফুল ইসলামকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগে মাদক সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামি হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

বুধবার (১৩ মে) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদ পাওয়া আরিফুল ইসলাম ২০১৯ সালে কর্ণফুলী থানায় দায়ের হওয়া একটি মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন বলে জানা গেছে। সে সময় মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে জনতার হাতে আটক চারজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৩০০টি ইয়াবাও উদ্ধার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৩ সালে দায়ের হওয়া আরেকটি মামলাতেও তার নাম আসে। তবে ওই মামলায় পরবর্তী সময়ে পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে তিনি অব্যাহতি পান।

বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘২৪-এর নির্বাচনের আগে ১৬ই ডিসেম্বরের পরে ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে আমাকে মিথ্যা ভাবে ফাঁসানো হয়েছিল। ২০২৩ সালে নভেম্বর মাসে আমাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। পরে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসের মামলা থেকে আমি অব্যাহতি পাই।’

বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রতিনিধি ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুর শাহেদ খান রিপন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা অবগত না। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়েছি।  অভিযুক্তের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে, প্রমাণিত হলে কেন্দ্রের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হবে।’

বিষয়টি জানতে চাইলে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর আলম বলেন, ‘মাদকসহ দুটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আরিফুল। এর মধ্যে একটি মামলায় পরবর্তীকালে অব্যাহতি পেয়েছে।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। প্রমাণ থাকলে দেন তারপর মন্তব্য করব।’