Image description

মাহমুদুর রহমান

গত সপ্তাহে বঙ্গভবনের অধিবাসী, দেশের একমাত্র 'মহামান্যের' একটি বিশেষ চরিত্রের দৈনিক পত্রিকায় সাক্ষাৎকার পাঠ করে বেজায় আমোদ পেয়েছি। বাংলাদেশের এক ভয়ংকর ফ্যাসিবাদী জামানা সম্পর্কে অন্ধকারে থাকা যে কোনো সরল ব্যক্তি সেই সাক্ষাৎকার পড়ে মনে করবেন, 'আহা রে, এমন একজন শিশুতোষ ব্যক্তিকে ভিলেন ড. ইউনূস গং কতই কষ্ট না দিয়েছে।' দিল্লিতে পলাতক, গণহত্যাকারী, আইসিটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার অতি স্নেহধন্য এবং বাংলাদেশের 'টপ লুটেরাদের অন্যতম' এস আলমের সব কাজের কাজি, ব্যক্তিটি সম্পর্কে আমার আগের একাধিক লেখা এবং কনক সরওয়ারের ইউটিউব চ্যানেলের টক শোতে দেওয়া বিশ্লেষণ উৎসাহী পাঠক কষ্ট করে আর্কাইভ খুঁজলেই পেয়ে যাবেন। আজকের মন্তব্য প্রতিবেদনে সেসব লেখালেখি ও বক্তব্যের খানিকটা পুনরাবৃত্তি প্রসঙ্গক্রমেই চলে আসবে। আমার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এক কথা বারবার বলা এবং শোনা মহাবিরক্তিকর হলেও, বাঙালি মুসলমানের মতো বিস্মৃতিপ্রবণ জাতিকে পুরোনো ও নিকট, যাবতীয় অতীত সারাক্ষণ মনে করিয়ে না দিলেই সর্বনাশ। তারা অবলীলাক্রমে বন্ধুকে শত্রু এবং শত্রুকে বন্ধ বানিয়ে ফেলবে। মহামান্য এবং তার 'হ্যান্ডলাররা' বাঙালি মুসলমানের এই সহজাত দুর্বলতার কথা জানেন বলেই বিপ্লবের দুই বছর পূর্ণ না হতেই তারা ফ্যাসিবাদকে জায়েজ, বিপ্লবকে বিতর্কিত এবং ফ্যাসিবাদের ঘৃণ্য দোসরদের মজলুম বানানোর বয়ান নির্মাণে নেমে পড়েছেন।


বিশেষভাবে লক্ষ করার মতো বিষয় হলো, যে পত্রিকাটি মহামান্যকে 'প্রচার' করার মিশনে এগিয়ে এসেছে সেটি পতিত ফ্যাসিবাদ সমর্থক, দেশের অন্যতম বৃহৎ একজন অলিগার্কের মালিকানাধীন। হাসিনার পতন ও পলায়নের সপ্তাহখানেক আগে, জুলাই বিপ্লবের চূড়ান্ত মুহূর্তে সেই অলিগার্ক দেশের অন্যান্য অলিগার্ককে সঙ্গে নিয়ে তৎকালে ক্ষমতাসীন 'মহারানি'র দপ্তরে গিয়ে তার  Popup